রণবীর কাপুর (Ranbir kapoor) বরাবর ভার্সেটাইল অভিনেতা। তিনি যে কোনো দৃশ্যে অভিনয় করতে ভয় পেয়েছেন, একথা বিশ্বাসযোগ্য নয়। কিন্তু তবু তিনিও ভয় পেয়েছিলেন। কয়েক বছর আগে ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ ফিল্মে ঐশ্বর্য রাই বচ্চন (Aishwarya Rai Bachchan)-এর সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন রণবীর। ঐশ্বর্য রণবীরের থেকে সিনিয়র। তাঁর স্টারডমও রণবীরের থেকে অনেক বেশি। ঐশ্বর্য যখন ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ হয়েছিলেন তখন রণবীর অনেকটাই ছোট। সেই ঐশ্বর্য রাইয়ের সঙ্গে অভিনয়ের সময় যথেষ্ট নার্ভাস হয়ে পড়েছিলেন রণবীর।
‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ ফিল্মে রণবীরের সঙ্গে ঐশ্বর্যর কয়েকটি অন্তরঙ্গ দৃশ্য ছিল। অন্তরঙ্গ দৃশ্যগুলিতে ঐশ্বর্যকে ছুঁতে অথবা তাঁর গালে হাত দিতে রীতিমত ভয় পেতেন রণবীর। কিন্তু ঐশ্বর্যর ব্যবহারে ধীরে ধীরে তাঁর ভয় কেটে যায়। রণবীরের সঙ্গে ঐশ্বর্যর অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে রণবীর মুখ খুলতেই ঝড় বয়ে যায় বচ্চন পরিবারে। এমনকি অভিষেক (Abhishek Bachchan) ও ঐশ্বর্যর মধ্যে রীতিমত অশান্তি শুরু হয়। শোনা যেতে থাকে, ঐশ্বর্যর সঙ্গে অভিষেকের বিবাহ বিচ্ছেদ হতে পারে। কিন্তু পরবর্তীকালে অশান্তি মিটে গেলেও জয়া বচ্চন (Jaya Bachchan)-এর মনে এই ঘটনা রেশ রেখে যায়।
জয়া ও ঐশ্বর্যর মধ্যে ঠান্ডা লড়াইয়ের কথা ইন্ডাস্ট্রির কারও অবিদিত নয়। ফলে ঐশ্বর্যর অভিনয় প্রসঙ্গে বলতে গেলেই জয়ার কথায় একাধিকবার উঠে এসেছে এই অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে অশান্তির কথা। এর আগেও ‘ধুম-3′-তে ঐশ্বর্য ও হৃত্বিক রোশন (Hritwik Roshan)-এর অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে বচ্চন পরিবারে অশান্তি শুরু হয়েছিল। কিন্তু পরে সেই ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায়।
কিন্তু সত্যিই কি ঐশ্বর্য পর্দায় নায়ককে চুমু খেতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন না? মার্কিন সঞ্চালিকা অপরা উইনফ্রে (Oprah winfrey) ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী নন। 2009 সালে তাঁর শোয়ে অতিথি হিসাবে এসেছিলেন অভিষেক ও ঐশ্বর্য। অপ্রার একের পর এক প্রশ্নের জবাব তাঁরা ধৈর্য ধরে দিয়েছেন। কিন্তু অপ্রা যখন ঐশ্বর্যকে জিজ্ঞাসা করেন, তিনি সিনেমার পর্দায় চুমু খাননি কেন, তখন ঐশ্বর্য হেসে অভিষেকের কোর্টে বল ঠেলে দেন। উত্তরে অভিষেক তাঁর স্ত্রী ঐশ্বর্যর গালে আলতো করে চুম্বন করেন। তাই দেখে অপ্রা সহ সমস্ত দর্শকরা হাসিতে ফেটে পড়েন। এরপর অভিষেক বলেন, ভারতীয় ফিল্মে অকারণে চুম্বন দৃশ্য থাকে না। ভারতীয় দর্শকরা ফিল্মে চুম্বন দৃশ্যের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন না। কারণ এটি পশ্চিমী সংস্কৃতির অঙ্গ। ভারতীয় ফিল্মে ভালোবাসার অভিব্যক্তি হিসাবে বলিউডের গান শুরু হয়। কিন্তু হলিউড ফিল্মে চুম্বনের মাধ্যমে ভালোবাসা বোঝানো হয়। ঐশ্বর্য ও অভিষেক দুজনেই বলেন, তাঁরা বলিউডের গানের দৃশ্য বেশি এনজয় করেন। তাঁদের কাছে বরফঢাকা পাহাড়ে অন্তরঙ্গ দৃশ্য অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য। তবে এত কিছুর মধ্যে অভিষেক-ঐশ্বর্য এড়িয়ে গেছেন প্রকৃত সত্য। সেটি হল, বচ্চন পরিবারে বধূ হয়ে আসার পর থেকেই পারিবারিক সম্মান বাঁচাতে ঐশ্বর্যকে নিজের কাজে রাশ টানতে হয়েছে। চিত্রনাট্য অনুযায়ী ঐশ্বর্য কোন দৃশ্যে অভিনয় করবেন, তাও নির্ধারণ করেন বচ্চনরা। ঐশ্বর্য তাঁর আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে বচ্চন পরিবারের বধূ হয়েছেন। সত্যিই কি এর কোনো প্রয়োজন ছিল?
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তে থাকে উন্মাদনা। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স বা পর্তুগালের মতো…
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এবার এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সাধারণত রবিবার স্কুল বন্ধ…
ভারতীয় ক্রিকেটের উঠতি তারকা বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে। মাত্র ১৫…
পশ্চিমবঙ্গে স্মার্ট মিটার বসানো নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী,…
জামাইষষ্ঠীর দিনেও স্বস্তির আবহাওয়া মিলছে না বঙ্গবাসীর কপালে। বরং মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার জেরে আগামীকাল দক্ষিণবঙ্গ…
ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপের পথে ভারতীয় নৌবাহিনী। অত্যাধুনিক…