নিজস্ব সংবাদদাতা: দেশ তাঁকে জানত সুবক্তা, দৃঢ়চেতা, স্বাধীন মনোভাবাপন্ন, সুদক্ষ, ব্যতিক্রমী মহিলা রাজনীতিবিদ হিসেবে। এছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রেই তাঁর মনের বিশালতার সাক্ষী থেকেছে দেশবাসী। বিভিন্ন সময়ে দেশে-বিদেশে যেকোন সমস্যার কথা জানিয়ে তাঁকে ট্যুইট করে নিরাশ হননি কেউ। দলমত নির্বিশেষে সকলের পাশে দাঁড়াতেন প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ।
অবাক করার মতো বিষয় হল, এমন একজন সর্বজন শ্রদ্ধেয়, সুদক্ষ রাজনীতিবিদ রাজনীতি নয় যোগ দিতে চেয়েছিলেন ভারতীয় সেনায়। ক্যারিয়ারের শুরুতে ভারতীয় সেনার শৃঙ্খলা ও দেশের প্রতি কর্তব্য পালনের দায়বদ্ধতা তাঁকে সেনাবাহিনীর প্রতি আকৃষ্ট করেছিল। সেই কারণেই সেনাতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু স্বপ্নপূরণ হয়নি তাঁর, নিয়মের গেরোয় আটকে পড়ে তাঁর সেনাপ্রীতি। কারণ, সেই সময় সেনাবাহিনীতে মহিলারা যোগ দিতে পারতেন না।
হরিয়ানার অম্বালা জেলায় জন্মগ্রহণ করা সুষমা স্বরাজ এরপর এবিভিপির হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। জয়প্রকাশ নারায়নের নেতৃত্বে আন্দোলনে যোগ দেন। ১৯৭৭ ও ৮৭ সালে অম্বালা থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। ১৯৯০ থেকে ৯৬ পর্যন্ত ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ। ১৯৯৬ এ দক্ষিণ দিল্লি থেকে নির্বাচিত হয়ে লোকসভায় পা রাখেন। ১৯৯৮ এ লোকসভা থেকে ইস্তফা দিয়ে দিল্লির প্রথম মহিলা মূখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। কিন্তু মাত্র ৫২ দিনে সেই সরকার পড়ে গেলে পুরোপুরি সংসদীয় রাজনীতিতে মনোযোগ দেন।
কখনও স্বাস্থ্যমন্ত্রী, কখনও লোকসভার বিরোধী নেত্রী, কখনও বিদেশমন্ত্রীর মত গুরুত্বপূর্ণ পদ দক্ষতার সাথে সামলেছেন তিনি। তাঁর দায়িত্বে বিদেশমন্ত্রক মানবিক মুখ হয়ে ওঠে। বিদেশমন্ত্রী হিসেবে তিনি হয়ে উঠেন প্রত্যেক ভারতবাসীর ঘরের মানুষ।














Piers Morgan Explains Why Michael Jackson Sets His Halftime Show Standard