রাশিয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধের পর ফের বিশ্বমাঝে আবার যুদ্ধের দামামা বাজিয়েছে ইজরায়েল ও ফিলিস্থান। গতকাল শনিবার ইজরায়েল রীতিমত যুদ্ধবিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে ফিলিস্তানি জঙ্গিগোষ্ঠী হামাসের হামলায়। প্রচুর সাধারণ মানুষ আহত হয়েছেন এবং এই নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছে গোটা বিশ্ব। জানা গিয়েছে যে হামাসের আক্রমণ এতটাই দ্রুত ছিল যে ইজরায়েল ব্যাপারটা সামলে উঠতে পারেনি। হামাস দাবী করেছে তারা ইজরায়েলের দিকে ৫০০০ রকেট উৎক্ষেপণ করেছেন। ইসরায়েলও অন্তত ২৫০০ রকেট হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এমতাবস্থায় প্রশ্ন জাগে যে একবারে এতগুলো রকেট বানানোর উপাদান অর্থাৎ গানপাউডার হামাস পেল কোথা থেকে? জানতে এই প্রতিবেদনটি অবশ্যই সম্পূর্ণ পড়ুন।
গতকাল হামলার পর থেকেই রীতিমতো তেতে উঠেছে ইজরাইল। ইজরায়েলি কর্মকর্তারা একের পর এক প্রেস বিবৃতিতে তাদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। প্রশ্ন তুলেছেন যে হামাস কি একাই এত বড় হামলা করতে পারে? কোনো দেশের সাহায্য ছাড়া কি এত বড় হামলা হতে পারে? প্রশ্নের সাথে সাথে তির্যকভাবে উত্তরও দিয়েছেন ইজরাইল কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছেন যে হামাসকে যেই দেশ সাহায্য করছে তা মার্কিন সামরিক বাহিনী ন্যাটোর সদস্য। প্রমাণ হিসাবে তাঁরা জানিয়েছেন যে জুলাই মাসে ইজরায়েল বর্ডার ফোর্স এজেন্টরা তুরস্ক থেকে গাজা ভূখণ্ডে যাওয়ার পথে ১৬ টন বিস্ফোরক পদার্থ আটক করেছে। ল্যাবে এই উপাদানটি পরীক্ষা করা হলে দেখা যায় যে পাত্রে রাখা কিছু ব্যাগে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড রয়েছে। রকেটের জন্য বিস্ফোরক তৈরিতে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড ব্যবহার করা হয়।
আপনাদের জানিয়ে রাখি যে, সাম্প্রতিক কিছু বছরে ইজরাইলের সাথে তুরস্কের সম্পর্ক ভালো হলেও ভেতর ভেতর তুরস্ক সন্ত্রাসী সংগঠন হামাসকে সাহায্য করছে। হামাস নেতাদের সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তিনি বেশ কয়েকবার হামাস নেতাদের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন, যার ছবিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পাওয়া যাচ্ছে। তুরস্ক হামাস নেতাদের পাসপোর্ট ইস্যু করে যাতে তারা বিদেশ ভ্রমণ করতে পারে। থেকে এও প্রমাণ হয় যে তুরস্ক এবং ইসরাইল দুজনেই নাটক সদস্য হওয়ার সত্ত্বেও তুরস্ক ইজরায়েলের সাথে শত্রুতা বজায় রাখছে।














