কর্মরত অবস্থায় কোন সরকারি কর্মচারীর মৃত্যু হলে এবারে সেন্ট্রাল সিভিল সার্ভিসেস বিধি ২০২১ অনুসারে মাসে মাসে পেনশনের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। একে বলে পারিবারিক পেনশন পদ্ধতি। এই পেনশনের জন্য কর্মরত অবস্থায় কোনো কর্মচারীর মৃত্যু হতে হবে। যদি সেরকম কোন ঘটনা ঘটে থাকে এবং তার মৃত্যুর পর যাতে তার পরিবার আর্থিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হয় সেই লক্ষ্যেই এই পারিবারিক পেনশন চালু করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে। সরকারি কর্মচারীর মৃত্যুর পর তার স্বামী বা স্ত্রী বা সন্তান পিতা-মাতা অভিভাবক প্রতিবন্ধী ভাই এবং বোন এই পেনশন গ্রহণ করতে পারবেন। তবে মৃত সরকারি কর্মচারীর মেয়ে কি সার্ভিসেস পেনশন পেতে পারবেন? বিধি অনুসারে অবিবাহিত বিবাহিত এবং বিধবা কন্যারা কিন্তু পারিবারিক পেনশন পেতে পারেন।
জানিয়ে রাখি নিয়ম অনুযায়ী কোন পারিবারিক পেনশনের জন্যযোগ্য পরিবারের সদস্যদের তালিকা থেকে কখনোই সরকারি কর্মচারীর কন্যার নাম বাদ দেওয়া যায় না। তবে কন্যার বয়স ২৫ বছরের বেশি হলে তবেই কিন্তু মেয়ে পেনশন পাওয়ার যোগ্য, অন্যথায় নয়। এক্ষেত্রে আরো কিছু নিয়ম মানতে হবে।
কন্যা সন্তানের যদি বিয়ে না হয়, চাকরি না হয় তাহলে কিন্তু ওই কন্যা ফ্যামিলি পেনশন পেয়ে যাবেন। এছাড়াও যদি কোন মানসিক বা শারীরিক অক্ষমতা থাকে, তাহলেও কিন্তু এই পেনশন তারা পেতে পারেন। যদি মেয়ে অবিবাহিত, ডিভোর্সি অথবা বিধবা হন তাহলে তিনিও কিন্তু এই পেনশন পেতে পারেন। একইভাবে একজন বিধবা বা ডিভোর্সি কন্যা সারাজীবন পারিবারিক পেনশন পেতে পারেন। সম্প্রতি এই নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্র, যেখানে পারিবারিক পেনশনের বিষয়ে নিয়ম অনেক স্পষ্ট করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। নির্দেশিকা জারি করে কেন্দ্রীয় সরকারের পেনশন এবং পেনশনভোগী কল্যাণের দপ্তর জানিয়েছে, পারিবারিক পেনশনের ক্ষেত্রে যোগ্যতার দিক বিচার না করেই সরকারি কর্মচারী বা পেনশনভোগীদের নিজেদের পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের বিষয়ে সমস্ত তথ্য জানিয়ে দিতে হবে। কারো নাম কিন্তু বাদ দেওয়া যাবে না।














Spice Girls Reunite to Celebrate Emma Bunton’s 50th Birthday in the English Countryside