পুজো, দীপাবলি কিংবা ছুটির মরশুম এলেই ট্রেনে টিকিট পাওয়া যেন লটারি জেতার মতো ভাগ্যের ব্যাপার। প্রতিদিন কোটি কোটি মানুষ রেলপথে যাতায়াত করেন। ভিড় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাড়ে টিকিটের চাহিদা। অনেক সময় বুকিং হলেও টিকিট থেকে যায় ওয়েটিং-এ। শেষ মুহূর্তে ভ্রমণ বাতিলের মতো সমস্যায় পড়তে হয় যাত্রীদের। তবে রেলওয়ে এই জটিলতার সমাধান হিসেবে নিয়ে এসেছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা—তৎকাল টিকিট এবং বিকল্প স্কিম।
তৎকাল টিকিট
হঠাৎ যাত্রার প্রয়োজন হলে তৎকাল টিকিট যাত্রীদের জন্য ভরসার হাতিয়ার। যাত্রার ঠিক একদিন আগে বুক করা যায় এই টিকিট। নির্দিষ্ট কোটার মধ্যে সিট পাওয়া গেলে সহজেই যাত্রা করা সম্ভব হয়। বিশেষত ব্যবসায়িক সফর বা জরুরি ভ্রমণের ক্ষেত্রে তৎকাল বুকিং অনেক যাত্রীকে স্বস্তি দেয়।
বিকল্প স্কিম
যাঁদের টিকিট কনফার্ম হয় না, তাঁদের জন্য এই সুবিধা বিশেষ কার্যকর। টিকিট বুক করার সময় যদি যাত্রী বিকল্প স্কিমে অপ্ট-ইন করেন, তবে সিট না পাওয়া গেলে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্য ট্রেনে সিট বরাদ্দ করে দেয়। এর জন্য কোনও অতিরিক্ত খরচ হয় না। অর্থাৎ, যাত্রা বাতিল না করেই যাত্রী অন্য ট্রেনে কনফার্ম সিট পেতে পারেন।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
তৎকাল টিকিট বুকিং করা যায় IRCTC-এর ওয়েবসাইট, অ্যাপ অথবা সরাসরি স্টেশন কাউন্টার থেকে। অন্যদিকে, বিকল্প স্কিম বেছে নিতে হয় টিকিট বুকিংয়ের সময়। কনফার্মেশন না হলে রেলওয়ের সিস্টেম নিজেই অন্য ট্রেনের সিট অ্যালট করে দেয়। যদিও ১০০% নিশ্চয়তা নেই, তবুও সিট পাওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়।
কেন এই সুবিধা প্রয়োজনীয়?
উৎসব, গ্রীষ্ম বা দীর্ঘ ছুটির মরশুমে ট্রেনের ভিড় প্রায় নিয়মিত চিত্র। যাত্রীদের অসুবিধা কমাতে এবং সঠিকভাবে ভ্রমণ পরিকল্পনা করতে এই দুটি সুবিধা বিশেষ ভূমিকা রাখছে। ফলে ট্রেনে ভ্রমণ আরও সহজ হচ্ছে এবং যাত্রীদের মধ্যে রেলের প্রতি আস্থা বাড়ছে।














Ireland Baldwin Shares Hilarious ‘Rules’ for Nepo Babies on Instagram