লক ডাউনের মাঝেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন গ্রীষ্মকালীন ছুটি সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আগামী ১০ই জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। আর তার ফলেই পিছিয়ে যায় কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সমস্ত সেমিস্টার। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা ছাড়া বাকিগুলি একধাপ এগিয়ে দেওয়া হবে। এদিন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেমিস্টার বিষয়ক আলোচনা হয়। বৈঠকের পর শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, ১০ই জুন সমস্ত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলি পুনরায় খুললে তার একমাসের মধ্যে নেওয়া হবে চূড়ান্ত বা ফাইনাল সেমিস্টারের পরীক্ষা।
তবে সেক্ষেত্রে পরীক্ষা কিভাবে হবে, কি পদ্ধতিতে হবে, অফলাইন না অনলাইন সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। এইসমস্ত কিছুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপরে। ১০ই জুনের পর কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ছাত্রছাত্রী মোট ১৯ লক্ষ। এছাড়া সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং বা সামাজিক দূরত্ব এখন দৈনন্দিন জীবনের অঙ্গ হয়ে উঠেছে। তাই সরকারের তরফ থেকে সেদিকে নজর রাখতে বলা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে।
করোনার সংক্রমণ থেকে কবে মুক্তি পাওয়া যাবে তা শুধুই ধোঁয়াশা। তাই শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও হোস্টেলগুলি আগামী ১০ই জুনের পর স্যানিটাইজেশনের নির্দেশ দিয়েছেন। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, ‘কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলি অপেক্ষা করে আছে পুনরায় শিক্ষা ব্যবস্থা সচল করার। কিভাবে পরীক্ষা নেওয়া হবে বা কি পদ্ধতি মেনে হবে সে বিষয়ে উপাচার্যদের সঙ্গে কথা হয়েছে। ১০ই জুনের পর হোস্টেল ও বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজগুলি স্যানিটাইজেশন করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’














Harper Beckham Shares Heartfelt Message to Her Brothers Amid Family Strain