৩১শে মে শেষ হচ্ছে চতুর্থ দফার লকডাউন। ৩১শে মে এর পরও আরও লকডাউন বাড়বে কিনা এই নিয়ে জল্পনা থাকলেও এখনও পর্যন্ত জানা যাচ্ছে বাড়তে পারে লকডাউন। ৩১শে মে এর পর আরও ১৫ দিন বাড়িয়ে পঞ্চম দফার লকডাউন ঘোষণা করা হতে পারে। দেশের করোনা আক্রান্তের মধ্যে ৭০ শতাংশই কয়েকটি শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ১১টি এমন শহরের উপর পঞ্চম দফার এই লকডাউনে বিশেষ নজর থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের। এই ১১টি শহর হলো দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা, চেন্নাই, অহমেদাবাদ, ব্যাঙ্গালোর, পুনে, থানে, সুরাত, জয়পুর এবং ইন্দোর। পঞ্চম দফার লকডাউনে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রের উপর আরও ছাড় দেওয়া হতে পারে। তেমনই কোন কোন ক্ষেত্র গুলিতে ছাড় দেওয়া হবে এবং কোন কোন ক্ষেত্র গুলিতে বিধিনিষেধ থাকবে তা দেখে নিন-
যে যে ক্ষেত্র গুলিতে ছাড় দেওয়া হতে পারে-
১. ব্যাঙ্কিং এবং এটিএম পরিষেবা।
২. ক্যুরিয়ার পরিষেবা।
৩. প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া।
৪. সরকারি এবং বেসরকারি অফিস (নূন্যতম কর্মী নিয়ে)।
৫. ই-কমার্স সংস্থা।
৬. ইলেকট্রিশিয়ান, কলের মিস্ত্রি, খবরের কাগজের হকার, বাড়ির পরিচারক, ছুতোর মিস্ত্রি সহ আরও অন্যান্য ক্ষেত্রের শ্রমিক।
৭. বেসরকারি পরিবহণ ব্যবস্থা। বাস, ট্যাক্সি, অ্যাপ-ক্যাব পরিষেবা। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে পিছনের সিটে একজন বসিয়ে চালানো যাবে। মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রেও পিছনে কেবলমাত্র একজনকে বসিয়েই চালানো যাবে।
৮. যাত্রীবাহী ট্রেন, মেট্রো, অন্তর্দেশীয় (ডোমেস্টিক) বিমান পরিষেবা।
৯. খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প, পাট শিল্প।
১০. ধর্মীয় স্থান, তবে বড় জমায়েত নিষিদ্ধ।
যে যে ক্ষেত্র গুলিতে বিধিনিষেধ আরোপিত থাকবে-
১. সিনেমা হল।
২. শপিং মল।
৩. অ্যাসেম্বলি হল।
৪. জিম, সুইমিংপুল।
৫. বিনোদন পার্ক।














Harper Beckham Shares Heartfelt Message to Her Brothers Amid Family Strain