করোনা তালিকার শীর্ষে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, ব্রাজিল। করোনা নিয়ে শুরু থেকেই অভিযোগের তীর ছিলো চিনের উহানের দিকে। সেই নিয়ে প্রায় ছয় মাস ধরে বহু তর্ক বিতর্ক চললেও কিছু দিন আগেই চিনের ভাইরোলজিস্ট জানান ইউহানের গবেষণাগারেই তৈরি করা হয়েছে করোনা ভাইরাস৷ এমনকি এই গোটা ষড়যন্ত্রে জড়িত আছে WHO৷ জনতাকে বিভ্রান্ত করার জন্য বলে হয়েছিলো জীবাণু প্রাথমিকভাবে ছড়িয়েছে ইউহান মার্কেট থেকে।
ইয়ানের মতে আসলে এটি ছিলো চিনের কমিউনিস্ট পার্টির ইচ্ছাকৃত ধোঁয়াশা মূলক বিবৃতি। চিনের ভাইরোলজিস্ট ড. লি মেং ইয়ান দাবি করেছেন তাঁর হাতে প্রমাণ রয়েছে যে করোনা ভাইরাস বানানো হয়েছে চিনের এক সরকারি ল্যাবে। করোনাভাইরাসের প্রকৃতি থেকে আসেনি এর গঠনগত বৈশিষ্ট আলাদা। অনেকের মতে আবার এই ভাইরাস এসেছে বাদুড় বা প্যাঙ্গোলিনের মাংস থেকে।
এই ভাইরাস এসেছে চিনের কোনও ল্যাব থেকেই। আর এই প্রমাণ তার কাছে থাকার কারণে চিনের মনে হতো একদিন না একদিন এই কথা পাঁচ কান হতে পারে। আর সেই ভয়ে চিন ছাড়েন ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ান। তার জন্ম হংকংয়ে এবং গবেষণার কাজও করতেন চিনে। একটি টক শো তে তিনি জানান চিন তাকে প্রাণ নাশের হুমকিও দিয়েছে। বারবার একাধিক পদক্ষেপে চিন বোঝানোর চেষ্টা করেছে করোনা ভাইরাসের পিছনে চিনের কোন হস্তক্ষেপ নেই। এমনকি ইতিমধ্যেই ইয়ানের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টটিও বন্ধ করা হয়েছে।
কিন্তু এবার চিনা বিদেশমন্ত্রী হুয়া চুংইয়াং বলছেন, “করোনার বহু তথ্যই এখনও সামনে আসেনি। আমরা নিশ্চিত, গত বছরের অন্তিম লগ্নে বিশ্বের বহু স্থানে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল”। বৃহস্পতিবারই জেনেভায় নেওয়া এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে। অন্যদিকে এই মারণ ভাইরাসের প্রকোপে মৃত্যু হয়েছে দশ লক্ষের বেশি মানুষের।














Piers Morgan Explains Why Michael Jackson Sets His Halftime Show Standard