অরূপ মাহাত: হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের কাছে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন খুব পবিত্র দিন। নানা উপাচারের মাধ্যমে এই দিনটিকে পালন করে তারা। জন্মাষ্টমীর মূল উৎসবটি হয় মথুরা ও বৃন্দাবনে। তাছাড়া মনিপুর, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ সহ ভারতবর্ষের যে রাজ্যেই বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মানুষের আধিক্য রয়েছে সেখানেই পালিত হয় এই দিনটি।
পূর্ব এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে বৈষ্ণবমন্ডলী ব্যাপক আয়োজনের মাধ্যমে জন্মাষ্টমী পালন করে থাকে। এর পিছনের মূল কারণটি হল পঞ্চদশ এবং সপ্তদশ শতাব্দীতে শংকরদেব এবং চৈতন্য মহাপ্রভুর দ্বারা এই অঞ্চলে কৃষ্ণলীলার ব্যাপক প্রচার। তারা বিভিন্ন দার্শনিক তত্ত্ব দিয়েছিলেন এবং সাধারণ মানুষকে জন্মাষ্টমী পালনের নতুন নতুন কলা শিখিয়েছিলেন। যেমন – বোরগীত, অঙ্কীয়নাট, ক্ষত্রিয় এবং ভক্তিযোগ যা পশ্চিমবঙ্গ এবং আসামে খুব বিখ্যাত।
তবে শুধু ভারতবর্ষ নয় ভারতবর্ষের বাইরেও জন্মাষ্টমী সমানভাবে জনপ্রিয়। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে মহা সাড়ম্বরে পালিত হয় এই দিনটি। নেপালে বসবাসকারী ৮০% হিন্দু এই দিনটিতে কৃষ্ণ মন্দিরগুলোকে সুন্দর ভাবে সাজিয়ে জন্মাষ্টমী দিনটি সাড়ম্বরে পালন করে। বাংলাদেশের ঢাকায় ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে পুরানো ঢাকা পর্যন্ত শোভাযাত্রা বের করে সেখানকার বৈষ্ণব মন্ডলী। পাকিস্তানের হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষেরা করাচিতে শ্রী স্বামীনারায়ন মন্দিরে ভজন-কীর্তনের মাধ্যমে জন্মাষ্টমী পালন করে। এছাড়াও অ্যারিজোনা, গুয়েনা, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো, জামাইকা, আমেরিকা পৃথিবীর যে স্থানে বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী মানুষ বসবাস করেন সেখানেই পালিত হয় জন্মাষ্টমী।














Harper Beckham Shares Heartfelt Message to Her Brothers Amid Family Strain