চিরকালীন রীতি অনুসারে বর-কনের থেকে তাদের বন্ধুরাই বেশি উৎসাহী হয় বিয়ে নিয়ে। যদিও তারা নিজেরা জানে না, তারা আদৌ বিয়ে করবে কিনা অথবা বিয়ে করলে কাকে করবে। গায়ক আদিত্য নারায়ণের বেলাতেও তার অন্যথা হলো না। অতি উৎসাহী বন্ধুর দলের উৎসাহের খেসারত দিলেন আদিত্য। বরমালা হওয়ার সময় বন্ধুরা খুব আনন্দ করে আদিত্যকে পাঁজাকোলা করতেই আদিত্যর শখের চোস্ত গেল ফেটে। কোনমতে বরমালা শেষ হতেই বন্ধুদের সাফাই, “ডিজাইনার ঠকিয়ে দিয়েছে, চোস্তটাই খারাপ ছিল, আমরা কিছু করিনি”। ওদিকে হবু বউ-এর সামনে ছেঁড়া চোস্ত পরে মুখ লাল করে দাঁড়িয়ে বলিউডের তারকা-পুত্র ও নামী গায়ক আদিত্য নারায়ণ। অবশেষে এক বন্ধুই যোগাড় করে আনলেন মানানসই পাজামা। সেই পাজামা পরেই শ্বেতার সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়লেন আদিত্য। পরে আদিত্য নিজেই মিডিয়ায় একটি সাক্ষাৎকারে এই কথা জানালেন।
কয়েক মাস আগে একটি সাক্ষাৎকারে আদিত্য জানিয়েছিলেন তাঁর আর্থিক পরিস্থিতি এই মুহূর্তে যথেষ্ট খারাপ। বিয়ের খরচের জন্য হয়তো তাঁকে তাঁর প্রিয় বাইক-টাই বেচতে হবে। অথচ বিয়ের পরে আদিত্য জানান তিনি ও শ্বেতা তাঁর সদ্য কেনা পাঁচটি রুমের অ্যাপার্টমেন্টে থাকবেন। এই অ্যাপার্টমেন্টটি তাঁর বাবা উদিত নারায়ণ ও মা দীপা নারায়ণের অ্যাপার্টমেন্টের কাছাকাছি। এই অ্যাপার্টমেন্টটি কেনার জন্য আদিত্য অনেকদিন ধরেই টাকা জমিয়েছিলেন। পরে আদিত্যর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উদিত ও আদিত্য দুজনে মিলে এই অ্যাপার্টমেন্টটি কিনেছেন। এর মধ্যেই আবার সর্বঘটে কাঁঠালিকলা ও সিবিআই-এ যোগ দেবার স্বপ্ন দেখা কিছু নেটিজেন আদিত্যর ব্যাঙ্ক-ব্যালান্স, অ্যাপার্টমেন্টটি কার নামে এই সব নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ইনভেস্টিগেশন শুরু করে দিয়েছেন।
আদিত্য-শ্বেতার বিয়েতে যথেষ্ট খুশি তাঁদের দুজনের পরিবার। পয়লা ডিসেম্বর উদিত নারায়ণের জন্মদিনেই মুম্বইয়ের ইস্কন মন্দিরে আদিত্য ও শ্বেতার আনুষ্ঠানিক ভাবে বিয়ে হয়। স্ত্রী দীপা নারায়ণের সঙ্গে রীতিমত নাচতে নাচতে ‘বারাত’ নিয়ে ইস্কন মন্দিরে উপস্থিত হন উদিত নারায়ণ। আদিত্য ও শ্বেতার বিয়ের কিছু ফটো ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ফটোতে দেখা যাচ্ছে, আদিত্যর পরনে রয়েছে অফ হোয়াইট রঙের শেরওয়ানি, তার সাথে মানানসই পাগড়ি ও কুন্দনের গয়না। বিয়ের সাজে ‘কুল’ লুক আনার জন্য আদিত্য চোখে সানগ্লাস পরেছিলেন। আদিত্যর পোশাকের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি হয়েছিল শ্বেতার পোশাক। শ্বেতার পরনে ছিল অফ হোয়াইট রঙের লেহেঙ্গা চোলি। তার সাথে মানানসই করে শ্বেতা পরেছিলেন পোলকির গয়না। করোনা বিধি মেনে সম্পন্ন হয় আদিত্য ও শ্বেতার বিয়ে। এই বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন মাত্র পঞ্চাশ জন অতিথি। রবিবার ছিল মেহেন্দি ও সোমবার ছিল ‘হলদি কি রসম’।
2010 সালে আদিত্য ও শ্বেতা অভিনীত ফিল্ম ‘শাপিত’ মুক্তি পায়। এই ফিল্মটি বক্স অফিসে সাফল্য না পেলেও ফিল্মের সেট থেকে শুরু হয় আদিত্য ও শ্বেতার প্রেম। তবে নিজেদের সম্পর্ককে কোনোদিন স্পটলাইটে নিয়ে আসেননি আদিত্য ও শ্বেতা। আদিত্য নিজের বিয়ের ঘোষণা করার সময় শ্বেতার কথা জানতে পারে মিডিয়া।
বিধানসভা নির্বাচনের পর দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে ফের রাজনৈতিক ময়দানে নামতে চলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক…
স্কুল পড়ুয়াদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত নিল তেলেঙ্গানা সরকার। এতদিন স্কুলে শুধুমাত্র মিড…
ভারতের সেমি-হাই-স্পিড ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে ঘিরে সামনে এল বড় খবর। এতদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে…
রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু হওয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী ও আয়ুষ্মান…
রাজ্যের মহিলাদের জন্য ঘোষিত অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে বড় আপডেট সামনে এল। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক…
টানা প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল বঙ্গবাসী। অবশেষে স্বস্তির খবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণ বিহারের উপর…