Trending NewsAppleNYT GamesCelebrity NewsWordle tipsBig 12 SoccerCelebrity BreakupsKeith UrbanUnited Nations Day

করোনা আবহে কল্পতরু উৎসবে বন্ধ থাকবে কাশীপুর উদ্যানবাটী

Updated :  Monday, November 30, 2020 4:21 PM

কলকাতা: করোনা পরিস্থিতির জেরে মণ্ডপশূন্য রেখেই পালিত হয়েছিল বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গোৎসব। তারপর একে একে কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজোতেও একই বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল। সামাজিক দূরত্ব রেখেই কার্যত উৎসবের মরসুমে গা ভাসিয়েছিল রাজ্যবাসী। আর বছর শেষে আরও এক উৎসব আসতে চলেছে। যদিও প্রত্যেক বছরের তুলনায় এই বছরে এই উৎসবকে ঘিরে আলাদা মাত্রা যোগ হযেছে। কারণ, সকলেই চাইছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, তত তাড়াতাড়ি শেষ হোক এই বিষে ভরা ২০২০ বছর। আর তাই নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর জন্য সকলেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। তবে নতুন বছর একেবারেই করোনামুক্ত হবে না। এর প্রভাব আংশিকভাবে হলেও থেকে যাবে বিশ্বের মধ্যে, এমনটাই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। আর তাই নতুন বছরের ১ জানুয়ারিতে কাশীপুর উদ্যানবাটীতে যে কল্পতরু উৎসবের আয়োজন করা হয়, এবার তাতেও রাস টানা হল।

৭৪ বছরে এই প্রথম। এত বছরে যা আগে কোনওদিন ঘটেনি, করোনার জেরে এবার সেটাই ঘটতে চলেছে। কল্পতরু উৎসব কাশীপুর উদ্যানবাটীকে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঠ কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে উদ্যানবাটীর ফটক। ১৯৪৬ সাল থেকে কাশীপুর উদ্যানবাটীতে পালন হয়ে আসছে কল্পতরু উৎসব। ২০২২ সালে ৭৫ বছর পূর্ণ হবে। এর আগে কল্পতরু উৎসবে কখনও কাশীপুর উদ্যানবাটী বন্ধ রাখা হয়নি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎসবে সময় মঠের মূল ফটক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

তবে দুর্গাপুজো ও জগদ্ধাত্রী পুজোকে ঘিরে বেলুড় মঠে সরাসরি সম্প্রচার করার ব্যবস্থা করা হয়েছিল, সে একই ব্যবস্থা করা হয়েছে কাশীপুর উদ্যানবাটীতেও। জানা গিয়েছে, লক্ষ লক্ষ ভক্তের কথা মাথায় রেখে শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ ঠাকুরের পূজা অর্চনার সমস্ত নিয়ম-নীতি কাশীপুর উদ্যানবাটীর ওয়েবসাইট থেকে এবং ইউটিউব চ্যানেল থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। যার ফলে দর্শনার্থী তথা ভক্তকুল বাড়িতে বসেই কাশীপুর উদ্যানবাটীর সরাসরি পূজা অর্চনা দেখতে পারবে। তাই এবার কল্পতরু উৎসবে কাশীপুর উদ্যানবাটীতে ভিড় জমিয়ে রামকৃষ্ণ ঠাকুরের সান্নিধ্য সরাসরি পাওয়া থেকে দর্শনার্থীরা বঞ্চিত হবে, এমনটা বলাই যায়। তবে রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের আশীর্বাদ একইভাবে তাঁর ভক্তদের ওপর বর্ষিত হবে বলেও আশাবাদী মঠ কর্তৃপক্ষ।