এবারের নির্বাচন বেশ হাইভোল্টেজ, তাই প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন। এবারের ভোটে আর রাজ্য পুলিশের ওপরে ভরসা না, এবারের ভোটে শুধু থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘোষণা ইতিমধ্যেই করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তবুও জট যেনো কাটছেই না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ৪ জন জোয়ানের সঙ্গে ১ জন করে লাঠিধারি পুলিশের উপস্থিতি হবে প্রত্যেক বুথে। কিন্তু এই নির্দেশের বিরুদ্ধে এবারে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানাতে চলেছে রাজ্য সরকার।
নির্দেশে ঘোষণা করা হয়েছিল, সমস্ত বুথে চারজন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পুলিশ থাকবে এবং থাকবে একজন করে লাঠিধারী পুলিশ। তার পাশাপাশি যে সমস্ত বুথের সংখ্যা ২ অথবা ৩ সেখানে থাকবে আটজন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পুলিশ এবং একজন করে লাঠিধারী পুলিশ। মাওবাদী অধ্যুষিত জেলাগুলিতে একটু বেশি পরিমাণে পুলিশ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
এবারের রাজ্য সরকার এই নির্দেশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কাছে গিয়ে আবেদন জানিয়েছে। তারা জানিয়েছে, যদি প্রতিটি বুথে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখা হয় তাহলে কিন্তু ভোটারদের ভোট দিতে বেশ সমস্যা হবে। এই কারণেই তারা রাজ্য পুলিশ রাখার আরজি জানাচ্ছেন। ইতিমধ্যেই ব্যাপারটি নিয়ে জল ঘোলা শুরু হয়েছে কেন্দ্র এবং রাজ্যের মধ্যে।
তৃণমূলের তরফ থেকে ওই নির্দেশে বিরোধিতা করা হয়েছে। সৌগত রায় বলেছেন, যদি শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকে তাহলে ভোটারদের ভাষাগত সমস্যা হতে পারে। এই কারনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন রাজ্য পুলিশ রাখতে রাজি হয়েছেন। যদিও নির্বাচন কমিশনের তরফ এ আনুষ্ঠানিকভাবে এই ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি।
পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য পরিষেবায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। শুধু সরকারি হাসপাতাল নয়, এবার রাজ্যের বেসরকারি হাসপাতাল…
জ্যৈষ্ঠ মাসের ভ্যাপসা গরমে কার্যত নাজেহাল দক্ষিণবঙ্গের মানুষ। সকাল থেকেই তীব্র রোদ, উচ্চ তাপমাত্রা এবং…
দীর্ঘদিন ধরে থমকে থাকা একাধিক রেল প্রকল্পে এবার নতুন করে গতি আসতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গে প্রায়…
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ক্রমবর্ধমান দামের মাঝে সাধারণ মানুষের জন্য এলো বড় স্বস্তির খবর। রান্নার খরচ কমাতে…
শিয়ালদা ডিভিশনের নিত্যযাত্রীদের জন্য বড় খবর। রেলের পরিকাঠামোগত কাজের কারণে আগামী ৬ জুন রাত থেকে…
বিধানসভা নির্বাচনের পর দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে ফের রাজনৈতিক ময়দানে নামতে চলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক…