Trending NewsAppleNYT GamesCelebrity NewsWordle tipsBig 12 SoccerCelebrity BreakupsKeith UrbanUnited Nations Day

আরও নামবে সোনার দাম? বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাসে চিন্তা বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের

Updated :  Monday, April 6, 2026 8:05 AM

গত কয়েক সপ্তাহে সোনার দামে বড় ওঠানামা লক্ষ্য করা গিয়েছে। ৩০ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিলের মধ্যে দাম একবার বেড়ে আবার কিছুটা কমেও যায়। গত ২ মাসে সোনার দাম প্রায় ১৯% কমেছে, যা টাকার হিসেবে প্রায় ৩০ হাজার টাকারও বেশি পতন। বিশ্ববাজারে ডলার শক্তিশালী হওয়াও সোনার দামে চাপ সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের লাভ তুলে নেওয়ার প্রবণতাও দামে পতনের অন্যতম কারণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অস্থিরতা আরও কিছুদিন বজায় থাকতে পারে।

আরও নামবে সোনার দাম? বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাসে চিন্তা বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের

শেষ সপ্তাহের দামের ট্রেন্ড

২৪ ক্যারেট ১০ গ্রাম সোনার দাম ছিল—

৩০ মার্চ: ১,৪৪,১২০ টাকা
৩১ মার্চ: ১,৪৭,০০০ টাকা
১ এপ্রিল: ১,৪৯,০৬০ টাকা
২ এপ্রিল: ১,৪৮,৫০০ টাকা
৩ এপ্রিল: ১,৪৮,৬১০ টাকা
৪ এপ্রিল: ১,৪৮,৭০০ টাকা

এই ওঠানামা দেখে অনেকেই মনে করছেন সামনে আবার দাম বাড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মত কী?

জে পি মর্গ্যানের গ্লোবাল কমোডিটি স্ট্র্যাটেজি টিমের প্রধান নাতাশা ক্যানেভা জানিয়েছেন, সোনার দামের উপর প্রভাব ফেলা কারণগুলি এখনও বিদ্যমান। বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তা ও মুদ্রাস্ফীতিও সোনার দামে বড় ভূমিকা রাখছে বলে মত তাঁর। তাঁর মতে, ২০২৬ সালের শেষে প্রতি আউন্স সোনার দাম পৌঁছতে পারে ৫,০০০ ডলারে। দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবেই সোনার চাহিদা বাড়বে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

তাহলে ভারতে কত নামতে পারে?

ভারতীয় মুদ্রায় হিসাব করলে, আগামী দিনে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রায় ১.৩০ লক্ষ টাকার আশেপাশে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান। এই পূর্বাভাস দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতার উপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে স্বল্পমেয়াদে বাজারে ওঠানামা চলতেই পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা। আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি ও মুদ্রার ওঠানামাও দামের উপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

বিনিয়োগের আগে সতর্কতা

(মনে রাখবেন: বাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ। বিনিয়োগের আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এই তথ্য শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে।) বাজারের হঠাৎ পরিবর্তনে ক্ষতির সম্ভাবনা সবসময়ই থাকে, তাই সচেতন থাকুন। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। নিজের আর্থিক লক্ষ্য ও ঝুঁকির ক্ষমতা বুঝে তবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।