পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) সংগ্রহ জানুয়ারিতে রেকর্ড করা হয়েছে ১.১৫ লক্ষ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে স্থূল প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের ঘাটতি মাত্র ১১,০০০ কোটি টাকা হতে পারে বলে জানা গেছে।
অর্থনীতিতে মন্দা সত্ত্বেও মূলত দক্ষ ট্যাক্স প্রশাসনের কারণে প্রত্যক্ষ এবং অপ্রত্যক্ষ উভয় কর আদায়ের পথে রয়েছে। সামগ্রিক ভাবে দেখা যাচ্ছে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের উচ্চ করের আয়ের ২৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বাজেট করা হয়েছে ১৬.৫ লক্ষ কোটি টাকা। এটি বছরের প্রথম আট মাসের অর্ধেকেরও কম সময়ে সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছিল। এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, ট্যাক্স সংগ্রহগুলি, বিশেষত আয়কর, সাধারণত জানুয়ারী, ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফিরে আসে।
আরও পড়ুন : ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে, দিতে হবে ধর্মের প্রমাণ
চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় পর্যায়ে ভারতের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৪.৫% হয়েছে, যা ২০১৩ সালের মার্চ মাসের পর সর্বনিম্ন। সরকারের প্রথম এস্টিমেট অনুমান অনুযায়ী, ২০১৯-২০২০ সালে ভারতের জিডিপি ৫% বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা ২০০৮-০৯ সাল থেকে সর্বনিম্ন।
বাস যাত্রীদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে এল পশ্চিমবঙ্গ পরিবহণ নিগম (WBTC)। দীর্ঘদিনের দাবির পর অবশেষে…
সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এবার কঠোর অবস্থান নিল রাজ্য সরকার। সরকারি সম্পদের ক্ষতি…
গঙ্গাসাগরগামী লক্ষ লক্ষ তীর্থযাত্রীর জন্য বড় সুখবর। বহু বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত সরাসরি…
সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য বড় সুখবর। অষ্টম বেতন কমিশন কার্যকর হওয়ার অপেক্ষার মধ্যেই মহার্ঘ…
কলকাতার গণপরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও দ্রুততর করতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ।…
ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তার কথা ভেবে অনেকেই এমন একটি বিনিয়োগের খোঁজ করেন, যেখানে ঝুঁকি কম এবং…