আজ, ২১ মে ২০২৫, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টিপাত এবং দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত এবং ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়, কলকাতা সহ, ঝড়বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।
শুক্রবার পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে বেশি থাকবে। সেই দিন বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘন্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।
আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণ:
এই আবহাওয়ার পরিবর্তনের মূল কারণ হলো একটি পূর্ব-পশ্চিম অক্ষরেখা যা পাঞ্জাব থেকে উত্তর বাংলাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। এছাড়াও, বঙ্গোপসাগর থেকে আসা আর্দ্র বায়ু এবং উত্তর বাংলাদেশের উপর একটি সাইক্লোনিক ঘূর্ণাবর্ত এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।
কলকাতার আবহাওয়া:
কলকাতায় গত কয়েকদিনে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে। শনিবার রাতে ও রবিবার সকালে হওয়া বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টিপাতের ফলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.২°C থেকে ৩১.৯°C-এ নেমে আসে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিনে আরও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, যা তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে।
সতর্কতা ও পরামর্শ:
বজ্রবিদ্যুৎ ও দমকা হাওয়ার সময় খোলা জায়গায় না থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাড়ির জানালা ও দরজা বন্ধ রাখা উচিত।
বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র প্রস্তুত রাখুন।
FAQ:
প্রশ্ন ১: আজ কোন জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে?
উত্তর: উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রশ্ন ২: দক্ষিণবঙ্গে কোন জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে?
উত্তর: কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।
প্রশ্ন ৩: এই আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণ কী?
উত্তর: একটি পূর্ব-পশ্চিম অক্ষরেখা এবং বঙ্গোপসাগর থেকে আসা আর্দ্র বায়ু এই আবহাওয়ার পরিবর্তনের প্রধান কারণ।
প্রশ্ন ৪: এই আবহাওয়া কতদিন স্থায়ী হতে পারে?
উত্তর: আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই পরিস্থিতি আগামী কয়েকদিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
প্রশ্ন ৫: এই সময়ে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত?
উত্তর: বজ্রবিদ্যুৎ ও দমকা হাওয়ার সময় খোলা জায়গায় না থাকা, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার না করা এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র প্রস্তুত রাখা উচিত।














