ভারতীয় নৌবাহিনী আধুনিক প্রযুক্তি ও শক্তিশালী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দেশের সামুদ্রিক সীমানা রক্ষায় সদা প্রস্তুত। বিশেষ করে আরব সাগরে মোতায়েন ভারতের বিমানবাহী রণতরীগুলি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যে কোনো সম্ভাব্য সামরিক অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম। নিম্নে ভারতের শীর্ষ ৫টি বিমানবাহী রণতরীর সংক্ষিপ্ত বিবরণ প্রদান করা হলো:
ভারতের প্রথম স্বদেশে নির্মিত বিমানবাহী রণতরী, আইএনএস বিক্রান্ত, ২০২২ সালে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়। এর দৈর্ঘ্য ২৬২ মিটার এবং এটি ৩০টি বিমান বহন করতে সক্ষম। এই রণতরী থেকে মিগ-২৯কে যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার পরিচালনা করা যায়, যা সমুদ্রপথে ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে।
রাশিয়া থেকে আমদানি করা এই রণতরীটি ২০১৩ সালে ভারতীয় নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়। এর দৈর্ঘ্য ২৮৪ মিটার এবং এটি ৩৬টি বিমান বহন করতে পারে। আইএনএস বিক্রমাদিত্য থেকে মিগ-২৯কে যুদ্ধবিমান পরিচালনা করা হয়, যা সমুদ্রপথে আকাশ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করে।
এই স্টেলথ ডেস্ট্রয়ারটি ২০২১ সালে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়। এর দৈর্ঘ্য ১৬৩ মিটার এবং এটি ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল দিয়ে সজ্জিত। আইএনএস বিশাখাপত্তনম সমুদ্রপথে শত্রু জাহাজ ও সাবমেরিন ধ্বংস করতে সক্ষম।
রাশিয়া থেকে লিজ নেওয়া এই পারমাণবিক সাবমেরিনটি ২০১২ সালে ভারতীয় নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়। এর দৈর্ঘ্য ১১০ মিটার এবং এটি টর্পেডো ও ক্রুজ মিসাইল দিয়ে সজ্জিত। আইএনএস চক্র সমুদ্রের গভীরে থেকে শত্রু জাহাজ ও স্থলভাগে আঘাত হানতে সক্ষম।
ভারতের প্রথম স্বদেশে নির্মিত পারমাণবিক সাবমেরিন, আইএনএস আরিহন্ত, ২০১৬ সালে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়। এর দৈর্ঘ্য ১১২ মিটার এবং এটি কেএন-৫ ব্যালিস্টিক মিসাইল বহন করতে সক্ষম। আইএনএস আরিহন্ত ভারতের পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা নিশ্চিত করে।
প্রশ্ন: ভারতের বিমানবাহী রণতরীগুলি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কীভাবে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে?
উত্তর: এই রণতরীগুলি সমুদ্রপথে মোতায়েন থেকে পাকিস্তানের সামরিক স্থাপনা ও সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটিতে আঘাত হানতে সক্ষম, যা ভারতের প্রতিরক্ষা কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশ্ন: আইএনএস বিক্রান্ত ও আইএনএস বিক্রমাদিত্যর মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: আইএনএস বিক্রান্ত ভারতের প্রথম স্বদেশে নির্মিত বিমানবাহী রণতরী, যেখানে আইএনএস বিক্রমাদিত্য রাশিয়া থেকে আমদানি করা হয়েছে।
প্রশ্ন: আইএনএস আরিহন্তের বিশেষত্ব কী?
উত্তর: আইএনএস আরিহন্ত ভারতের প্রথম স্বদেশে নির্মিত পারমাণবিক সাবমেরিন, যা পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা নিশ্চিত করে।
প্রশ্ন: এই রণতরীগুলির মাধ্যমে ভারতের প্রতিরক্ষা কৌশলে কী পরিবর্তন এসেছে?
উত্তর: এই রণতরীগুলির মাধ্যমে ভারত সমুদ্রপথে তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে এবং শত্রুদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম হয়েছে।
প্রিমিয়াম স্মার্টফোনের বাজারে এবার নতুন চমক আনতে চলেছে Oppo। অ্যাপল ও স্যামসাংকে কড়া টক্কর দিতে…
দেশের প্রথম বুলেট ট্রেনকে (India’s First Bullet Train) ঘিরে বহুদিন ধরেই উৎসাহ তুঙ্গে। কবে এই…
রাজ্যে সরকার বদলের পর একের পর এক নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে নতুন সরকার। এবার…
ভারতের বাজারে বিদেশি বিনিয়োগ আরও সহজ করতে প্যান (PAN) বরাদ্দের নিয়মে বড়সড় ছাড় দিল কেন্দ্রীয়…
গরম আর অস্বস্তিকর আবহাওয়ায় যখন নাজেহাল বাংলার মানুষ, ঠিক তখনই বড় সুখবর দিল ভারতীয় আবহাওয়া…
রাজ্যের লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে রাজ্যে সপ্তম পে কমিশন…