পুজোর আগে রাজ্যবাসীর জন্য আসতে পারে সুখবর। মমতা সরকারের জনপ্রিয় প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর ভাতা বাড়তে চলেছে বলে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
প্রকল্পের ভাতা বৃদ্ধি নিয়ে জল্পনা
রাজ্যে মহিলাদের জন্য চালু হওয়া এই আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায়। বর্তমানে সাধারণ জাতিভুক্ত মহিলারা মাসে ১,০০০ টাকা এবং তপশিলি সম্প্রদায়ের মহিলারা মাসে ১,২০০ টাকা করে পাচ্ছেন। তবে সূত্রের দাবি, এবার থেকে সাধারণ মহিলাদের মাসে ১,৫০০ টাকা এবং তপশিলি মহিলাদের ১,৮০০ টাকা ভাতা দেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ এক ধাক্কায় ৫০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে মাসিক ভাতা।
পুজোর আগে ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা
বিভিন্ন মহলের খবর, দুর্গাপুজোর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হলে অক্টোবরের শুরু থেকেই মিলতে পারে এই বাড়তি টাকা। তবে এর জন্য প্রাপকদের আধার কার্ড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে লিঙ্ক থাকা এবং কেওয়াইসি সম্পূর্ণ হওয়া আবশ্যক। যারা ইতিমধ্যেই প্রকল্পে নিবন্ধিত এবং নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলেছেন, তারাই এই সুবিধা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মমতা সরকারের একাধিক প্রকল্প
ক্ষমতায় আসার পর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক প্রকল্প চালু করেছে। কন্যাশ্রী, যুবশ্রী, বিধবা ভাতা, বৃদ্ধ ভাতা—সবকটি প্রকল্পেই নিয়মিত আর্থিক সাহায্য পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ তার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় উদ্যোগ, যা রাজ্যের বিপুলসংখ্যক মহিলাকে আর্থিকভাবে সুরাহা দিয়েছে।
রাজ্যবাসীর প্রত্যাশা
দুর্গাপুজো সামনে রেখে এই সম্ভাব্য ঘোষণা রাজ্যজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। শহর থেকে গ্রাম—সব জায়গাতেই মহিলাদের মধ্যে বাড়ছে কৌতূহল। অনেকে বলছেন, ভাতার এই বৃদ্ধি তাঁদের সংসারের খরচে বড় সহায়তা করবে। তবে সরকারি ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত জল্পনা কাটানো সম্ভব নয়।
সরকারি অবস্থান
এখনও পর্যন্ত সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। তবে প্রশাসনিক মহল মনে করছে, উৎসবের মরশুমে রাজ্যবাসীর হাতে বাড়তি টাকা পৌঁছে দিতে চাইছে সরকার। তাই ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা আসতে পারে শীঘ্রই।












