রাজ্যের জনপ্রিয় লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প নিয়ে বড়সড় নতুন প্রস্তাব সামনে এসেছে। রাজ্য সরকারের তরফে আলোচনায় জানানো হয়েছে, মাসিক ভাতা বাড়িয়ে ২১০০ টাকা করা হতে পারে। খবরটি প্রকাশ্যে আসতেই মহিলাদের মধ্যে আনন্দের ঢেউ ছড়িয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এই অতিরিক্ত অর্থ দৈনন্দিন সংসারের খরচ সামলাতে বড় সহায়ক হবে।
দ্রব্যমূল্যের বাজারে স্বস্তির হাওয়া
বর্তমানে প্রায় সব পণ্যের দাম ক্রমশ বাড়ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য থেকে শুরু করে গৃহস্থালির অন্যান্য খরচ—সব ক্ষেত্রেই চাপ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে মাসে অতিরিক্ত কিছু আর্থিক সহায়তা মহিলাদের সংসারের ভার হালকা করবে। পাশাপাশি, ছোটখাটো ব্যক্তিগত চাহিদা মেটানোও সম্ভব হবে।
কারা পাবেন বর্ধিত ভাতা?
প্রস্তাব অনুযায়ী, এই ভাতা সকল মহিলার জন্য প্রযোজ্য হবে না। যাদের বার্ষিক আয় ২.১ লক্ষ টাকার কম, কেবল তারাই সুবিধা পাবেন। এই কারণে আবেদনকারীদের একটি Income Certificate জমা দিতে হতে পারে। সরকারের উদ্দেশ্য স্পষ্ট—দুঃস্থ ও আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারগুলির কাছে প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। সম্প্রতি সরকার আরও ৭২ হাজার নতুন মহিলাকে এই প্রকল্পের আওতায় এনেছে। এতে পরিষ্কার বোঝা যায়, সরকার প্রকল্পটির বিস্তার ঘটাতে এবং বেশি সংখ্যক মানুষকে উপকৃত করতে কতটা সচেষ্ট।
কবে থেকে কার্যকর হবে এই নিয়ম?
যদিও এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগেই এটি কার্যকর করা হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। আপাতত, মহিলারা চূড়ান্ত ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করছেন।
লক্ষ্মীর ভান্ডার—সমাজে প্রভাব
লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প শুরু হওয়ার পর থেকে রাজ্যের প্রায় কোটি কোটি মহিলা আর্থিক সহায়তা পাচ্ছেন। শুধু অর্থ নয়, প্রকল্পটি মহিলাদের আত্মবিশ্বাস ও স্বনির্ভরতার দিকেও উৎসাহ জোগাচ্ছে। ফলে সমাজে নারীশক্তির অবস্থান আরও দৃঢ় হচ্ছে। যদি ভাতা বাড়ানো হয়, তবে আরও অনেক পরিবার প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবে।














