একুশের বাংলা বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে আজ মমতা বনাম শুভেন্দু মহাযুদ্ধ প্রসঙ্গ নিয়ে সরগরম গোটা বঙ্গ রাজনীতি। গতকাল থেকেই নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রকে রীতিমতো সিল করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। স্থলপথে নাকা চেকিং এবং আকাশপথে হেলিকপ্টার ও ড্রোন দিয়ে নজরদারি চলছে। এছাড়া কেন্দ্রীয় বাহিনী এলাকায় এলাকায় রুট মার্চ করছে। কিন্তু এর মাঝেও আজ দুপুরে তৃণমূল পার্টির মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বয়ালের একটি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে উপস্থিত হলে সেখানে বিজেপি সমর্থকরা তাকে ঘিরে ধরে। এমনকি তৃণমূল-বিজেপি দ্বন্দ্ব সংঘর্ষের আবহ তৈরি করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই ভোট কেন্দ্রের ভেতরে প্রায় দু’ঘণ্টা আটকে থাকেন। পরে অবশ্য বিশাল পুলিশবাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী নেমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওই ভোটকেন্দ্র থেকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই ভোটকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে বলেছেন, “আমি আমার জেতা নিয়ে চিন্তিত নয়। মা-মাটি-মানুষের আশীর্বাদে নন্দীগ্রামে জিতবো আমি। কিন্তু নন্দীগ্রামে গণতন্ত্র যেমনভাবে ধ্বংস হচ্ছে তা নিয়ে আমি বেশ চিন্তিত।” এছাড়াও তিনি অভিযোগ জানিয়েছে, “উত্তরপ্রদেশ ও বিহার থেকে লোক এসে নন্দীগ্রামে কাল রাত থেকে সন্ত্রাস ছড়িয়েছে। ওরা কেউ বাংলায় কথা বলতে পারে না। ওরা সব হিন্দি ভাষায় কথা বলছিল।”
অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই ভোট কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে যাবার পর বিজেপি প্রার্থীর শুভেন্দু অধিকারী সেখানে আসেন। আর সেখান থেকে তিনি জানিয়েছেন, “মমতা হেরে গেছে। ওনার আসার আগেই ৮০ শতাংশ ভোট পড়ে গেছে। নন্দীগ্রামে মমতা জিতবে না।” অবশ্য পাল্টা মমতাও বেশ আত্মবিশ্বাসের সাথে বলেছেন, “তৃণমূল নন্দীগ্রামে ৯০ শতাংশ আসন নিয়ে জিতবে।” এটাকথায় মমতা শুভেন্দুর মহাযুদ্ধে আজ সরগরম হয়েছিল গোটা বঙ্গ রাজনীতি।
দীঘা সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে গিয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হলেন এক যুবক। সমুদ্রে স্নান করতে নেমে…
পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে শূন্যপদের সংখ্যা ও নিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে বড় পদক্ষেপ নিল নবান্ন। রাজ্যের…
ভারতের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী Reliance Industries আবারও ব্যবসা জগতে নতুন ইতিহাস গড়েছে। মুকেশ আম্বানির নেতৃত্বে…
কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে ফের জোর চর্চায় অষ্টম বেতন কমিশন (8th Pay Commission)। বেতন কাঠামো,…
স্মার্টফোন বাজারে আবারও বড় চমক আনল Realme। সংস্থা ভারতে লঞ্চ করেছে নতুন Realme 16T 5G,…
কলকাতা মেট্রোর সম্প্রসারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ মানুষের আগ্রহ তুঙ্গে। এবার পিঙ্ক লাইন (Baranagar–Barrackpore Metro)…