Trending NewsAppleNYT GamesCelebrity NewsWordle tipsBig 12 SoccerCelebrity BreakupsKeith UrbanUnited Nations Day

‘বেশি বাড়াবাড়ি করবেন না, সব ডকুমেন্ট আছে আমার কাছে, মুখোশ খুলে দেব’, মমতার নিশানায় কে?

Updated :  Wednesday, April 8, 2026 2:17 AM

ভোটের আগে ক্রমেই চড়ছে বাংলার রাজনৈতিক পারদ। একের পর এক জনসভা থেকে শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই তীব্র আক্রমণে নামছে। এই আবহেই বনগাঁর খয়রামারির বনগাঁ স্টেডিয়ামে জনসভা করে ফের একবার কড়া বার্তা দিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

‘মুখোশ খুলে দেব’—কাদের উদ্দেশে বার্তা?

এদিন সরাসরি কারও নাম না করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মুখোশ খুলে দেব। বেশি বাড়াবাড়ি করবেন না। সব ডকুমেন্ট আমার কাছে আছে। কার থেকে টাকা-পয়সা নিয়েছেন, আর কী করেছেন।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। বনগাঁ উত্তর ও বনগাঁ দক্ষিণের প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস ও ঋতুপর্ণা আঢ়্যের সমর্থনে এই সভা করেন তিনি। বক্তব্যের মধ্যেই একাধিক ইস্যুতে বিজেপিকে নিশানা করেন তৃণমূল নেত্রী।

দুর্নীতি ও কেন্দ্রীয় সংস্থা নিয়ে অভিযোগ

মমতা বলেন, “শুধু বিজেপি করো বলে, তোমাদের ঘরে ইডি আসে না, সিবিআই আসে না। আর তৃণমূল করলেই কিছু না করলেও বদনাম করার জন্য কেন্দ্রীয় সংস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে।”

তিনি আরও দাবি করেন, কিছু ক্ষেত্রে অর্থ লেনদেন এবং ‘মান্থলি প্যাকেট’-এর মতো বিষয়ও সামনে আসতে পারে। এমনকি তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, জেলে থাকা এক ব্যক্তি নাকি এই বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন বলেও ইঙ্গিত করেন তিনি।

‘বহিরাগত’ ও বিভাজনের রাজনীতি প্রসঙ্গ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, বাংলার সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, “যারা ঠাকুর পরিবারে বিভেদ তৈরি করতে চাইছে, তারা ভোট কাটার রাজনীতি করছে।”

এই প্রসঙ্গ তুলে বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি।

উন্নয়ন ও স্থানীয় প্রসঙ্গ

বনগাঁর সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অতীতের স্মৃতিও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বনগাঁয় যানজটের সমস্যা একসময় বড় ছিল, যা তাঁর সরকার সমাধান করেছে। তিনি আশ্বাস দেন, ভবিষ্যতেও উন্নয়নমূলক কাজ চলবে। স্থানীয় প্রার্থীরা জিতলে বাকি কাজও দ্রুত সম্পন্ন করা হবে বলে জানান তিনি।

সব মিলিয়ে, বনগাঁর সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া হুঁশিয়ারি নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়ে দিল। ভোটের আগে এই ধরনের মন্তব্য যে রাজনৈতিক লড়াইকে আরও তীব্র করবে, তা বলাই বাহুল্য। এখন দেখার, এই বিস্ফোরক মন্তব্যের প্রভাব ভোটের ময়দানে কতটা পড়ে।