মে ২০২৬-এ দেশজুড়ে স্কুলগুলির সময়সূচি গরম, উৎসব এবং প্রশাসনিক নির্দেশের কারণে বদলে যাচ্ছে। তীব্র গরম ও লু-এর কারণে অনেক রাজ্যে হয় স্কুলের সময় বদলানো হয়েছে, নয়তো আগেভাগেই গ্রীষ্মের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে পড়ুয়াদের স্বস্তি মিললেও অভিভাবকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন রুটিন নিয়ে চিন্তা। পাশাপাশি, হঠাৎ এই পরিবর্তনে পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মে ২০২৬-এর প্রধান ছুটির তালিকা
মাসের শুরুতেই রয়েছে বড় জাতীয় ছুটি:
- ১ মে ২০২৬: শ্রমিক দিবস / বুদ্ধ পূর্ণিমা (সারা দেশে ছুটি)
- ৯ মে ২০২৬: দ্বিতীয় শনিবার
- ২৩ মে ২০২৬: চতুর্থ শনিবার
- ২৭ মে ২০২৬: ঈদ-উল-আজহা (অনেক রাজ্যে ছুটি)
এছাড়াও প্রতি রবিবার (৩, ১০, ১৭, ২৪ ও ৩১ মে) সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।
গরমের কারণে বদলেছে স্কুলের সময়
দেশের বহু জায়গায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে। তাই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড, উত্তর প্রদেশ ও রাজস্থানের মতো রাজ্যে স্কুলের সময় সকালেই এগিয়ে আনা হয়েছে। অধিকাংশ স্কুল এখন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্তই চলছে। এই পরিবর্তনের ফলে পড়ুয়ারা তীব্র গরমের সময় বাড়িতে থাকতে পারছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে সকালবেলার এই নতুন রুটিনে অনেকেরই অভ্যস্ত হতে কিছুটা সময় লাগছে।
গ্রীষ্মের ছুটি কতদিন?
অধিকাংশ রাজ্যে মে মাস থেকেই গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু হয়েছে, যা জুনের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে। তবে গরম আরও বাড়লে ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে। এই সময় অনেক স্কুল অনলাইন ক্লাস বা হোম অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করছে। ফলে ছুটির মধ্যেও পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারছে পড়ুয়ারা। কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়গুলিতে ৮ মে থেকে ১৬ জুন ২০২৬ পর্যন্ত গ্রীষ্মের ছুটি নির্ধারিত হয়েছে। পাশাপাশি, কিছু স্কুলে ছুটির পর বিশেষ রিমেডিয়াল ক্লাসের পরিকল্পনাও করা হচ্ছে যাতে সিলেবাস দ্রুত শেষ করা যায়।
জরুরি তথ্য
সারা দেশে স্কুলের ছুটির সময়সূচি এক নয়। প্রতিটি রাজ্যে স্থানীয় আবহাওয়া ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আলাদা নিয়ম চালু রয়েছে। ফলে একই সময়ে এক রাজ্যে স্কুল খোলা থাকলেও অন্য রাজ্যে সম্পূর্ণ বন্ধ থাকতে পারে। এই বিভাজনের কারণে অনেক অভিভাবকই বিভ্রান্তিতে পড়ছেন। তাই ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের নিজ নিজ স্কুল বা স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে সঠিক তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আগে থেকেই সঠিক সময়সূচি জেনে নিলে পড়াশোনা ও দৈনন্দিন রুটিন পরিকল্পনা করা অনেক সহজ হবে।











