বিশ্বজুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। কোনোভাবেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়ে উঠছে না। লকডাউন ঘোষিত হলেও মেলেনি আশানুরূপ ফল। সেই একই ছবি বাংলাতেও, দিন যত বাড়ছে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যবাসীকে আতঙ্কিত হতে বারণ করছেন।
বুধবার একটি সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “আগামী দুই মাসে আক্রান্তের সংখ্যা সর্বোচ্চ হতে পারে। তবে এতে আতঙ্কিত হবেন না। কারণ, যেহেতু টেস্টিং বাড়ানো হয়েছে তাই আক্রান্তের সংখ্যাও বেশি হবে। আমরা ট্রেসিং, ট্র্যাকিং ও টেস্টিংয়ের উপর বেশি জোর দিচ্ছি। কারণ তাহলেই রোগীকে চিহ্নিত করে চিকিৎসা করানো যাবে।”
অন্যদিকে তিনি জনসাধারণকে অনুরোধ করেছেন সমস্ত নিয়ম পালন করতে। তার মতে এই সময় সর্তকতা অবলম্বন করা খুবই জরুরি। এছাড়াও কোনো বিষয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে সেটি ‘টেলিমেডিসিন’ অ্যাপের মাধ্যমে জেনে নিতে বলেছেন তিনি। উপসর্গহীন রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে কিনা এই তথ্যও দেবে এই অ্যাপ।
তিনি এদিন করোনা ‘ফ্রন্টলাইনার’দের জন্য বড়সড় ঘোষণা করেছেন। জানিয়েছেন চিকিৎসক,স্বাস্থ্যকর্মী ও পুলিশকর্মী ছাড়াও যারা এই মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে প্রয়াত হয়েছেন তাদের প্রত্যেকের পরিবারের একজনকে চাকরি দেবে সরকার। সাথে করা হবে ১০ লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য। শুধু তাই নয়, করোনা যোদ্ধাদের সম্মান দিতে মেডেল, সার্টিফিকেট ও ব্যাজ দেবে তার সরকার।
রাজ্যে সরকার বদলের পর থেকেই নতুন করে আশার আলো দেখছেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা। নির্বাচনী…
রেল যাত্রীদের জন্য ফের বড় দুঃসংবাদ। পূর্ব রেলের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য একসঙ্গে শিয়ালদা এবং হাওড়া…
“আগামী এক বছর অনুষ্ঠান থাকলেও সোনা কিনবেন না।” কিছুদিন আগেই দেশবাসীর উদ্দেশ্যে এমন বার্তাই দিয়েছিলেন…
কলকাতা শহরের বুকে হাজার হাজার মানুষের মাথার ওপর থেকে আপাতত সরে গেল উচ্ছেদের খাঁড়া। ব্রেস…
কয়েকদিনের কালবৈশাখী ও বৃষ্টির জেরে কিছুটা স্বস্তি মিলেছিল গরম থেকে। তবে ফের বদলাচ্ছে আবহাওয়ার পরিস্থিতি।…
তীব্র গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা দেশের একাধিক রাজ্যে। এর মধ্যেই স্বস্তির খবর শোনাল ভারতীয় আবহাওয়া দফতর…