Trending NewsAppleNYT GamesCelebrity NewsWordle tipsBig 12 SoccerCelebrity BreakupsKeith UrbanUnited Nations Day

এক মাসে দুটি ব্যাংকে অগ্নিকাণ্ড, লাইসেন্স বাতিল! টাকা ফেরত পাবেন তো গ্রাহকরা?

Updated :  Tuesday, May 20, 2025 9:36 AM

ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া (আরবিআই), সম্প্রতি লখনউ-ভিত্তিক এইচসিবিএল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের লাইসেন্স বাতিল করেছে। এই সিদ্ধান্তটি ব্যাংকের আর্থিক দুর্বলতা এবং নিয়ন্ত্রক নির্দেশিকা লঙ্ঘনের কারণে নেওয়া হয়েছে।

লাইসেন্স বাতিলের কারণ

আরবিআই জানিয়েছে যে, এইচসিবিএল কো-অপারেটিভ ব্যাংক পর্যাপ্ত মূলধন এবং আয়ের সম্ভাবনা না থাকায় ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৪৯-এর বিভিন্ন ধারার লঙ্ঘন করেছে। বর্তমান আর্থিক অবস্থায়, ব্যাংকটি তার বর্তমান আমানতকারীদের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দিতে অক্ষম। এই পরিস্থিতিতে, ব্যাংকটির কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া জনস্বার্থের পরিপন্থী হবে।

ব্যাংকিং কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা

লাইসেন্স বাতিলের পর, এইচসিবিএল কো-অপারেটিভ ব্যাংককে অবিলম্বে সমস্ত ব্যাংকিং কার্যক্রম, যেমন আমানত গ্রহণ এবং ফেরত প্রদান, বন্ধ করতে বলা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের সমবায় কমিশনার এবং রেজিস্ট্রারকে ব্যাংকটি বন্ধ করার নির্দেশ এবং একটি লিকুইডেটর নিয়োগের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আমানতকারীদের জন্য সুরক্ষা

ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স অ্যান্ড ক্রেডিট গ্যারান্টি কর্পোরেশন (DICGC) অনুযায়ী, প্রতিটি আমানতকারী সর্বোচ্চ ₹৫ লাখ পর্যন্ত তাদের আমানতের বিমা দাবির জন্য যোগ্য। ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৯৮.৬৯% আমানতকারী তাদের সম্পূর্ণ আমানতের অর্থ ফেরত পাওয়ার জন্য যোগ্য। ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত, DICGC ইতিমধ্যে ₹২১.২৪ কোটি টাকার বিমা দাবির অর্থ প্রদান করেছে।

সহ-অপারেটিভ ব্যাংকিং খাতে আরবিআই-এর কঠোরতা

এইচসিবিএল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের লাইসেন্স বাতিল হওয়া চলতি অর্থবছরে পঞ্চম ঘটনা। এর আগে, ইম্পেরিয়াল আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিমিটেড, আজান্থা আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাংক মার্যাদিত, কালার মার্চেন্টস কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিমিটেড এবং শঙ্কররাও মোহিতে পাটিল সহকারী ব্যাংক লিমিটেড-এর লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলি আরবিআই-এর আর্থিক শৃঙ্খলা এবং আমানতকারীদের সুরক্ষার প্রতি কঠোর মনোভাবের প্রতিফলন।

সংক্ষিপ্ত FAQ

প্রশ্ন ১: এইচসিবিএল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হয়েছে?

উত্তর: ব্যাংকের পর্যাপ্ত মূলধন এবং আয়ের সম্ভাবনা না থাকা এবং ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৪৯-এর বিভিন্ন ধারার লঙ্ঘনের কারণে।

প্রশ্ন ২: আমানতকারীরা তাদের অর্থ ফেরত পাবেন কি?

উত্তর: হ্যাঁ, DICGC-এর অধীনে প্রতিটি আমানতকারী সর্বোচ্চ ₹৫ লাখ পর্যন্ত তাদের আমানতের বিমা দাবির জন্য যোগ্য।

প্রশ্ন ৩: DICGC কী?

উত্তর: ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স অ্যান্ড ক্রেডিট গ্যারান্টি কর্পোরেশন (DICGC) একটি সংস্থা যা আমানতকারীদের নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে সুরক্ষা প্রদান করে।

প্রশ্ন ৪: লাইসেন্স বাতিলের পর ব্যাংকের বর্তমান অবস্থা কী?

উত্তর: ব্যাংকটি সমস্ত ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ করেছে এবং লিকুইডেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

প্রশ্ন ৫: ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা এড়াতে আমানতকারীরা কী করতে পারেন?

উত্তর: নিয়মিতভাবে ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা এবং আরবিআই-এর নির্দেশিকা অনুসরণ করা এবং DICGC-এর অধীনে সুরক্ষিত ব্যাংকে আমানত রাখা।