একুশে বাংলা বিধানসভা নির্বাচনের আগে একের পর এক হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা দলের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। অনেকেই টিকিট না পাওয়ার ক্ষোভে বা অনেকে পছন্দমত জায়গায় টিকিট না পাওয়ার জন্য তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়ে উঠেছিলেন। তারা সবাই একের পর এক গেরুয়া শিবিরে যোগদান করেছিলেন। এই পরিস্থিতিতে বিজেপির প্রচারের রমরমা দেখে একপ্রকার মনে হচ্ছিল যে এবারে বাংলার মসনদে হয়তো ডবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু বাস্তবে বাংলার মানুষের পছন্দ বাংলার মেয়েকে। বিজেপিকে বিপুল মার্জিনে হারিয়ে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন মমতা ব্যানার্জি। অন্যদিকে দলত্যাগীরা বিজেপিতে গিয়েও কোনো সুবিধা করে উঠতে পারেনি। তবে সম্প্রতি বঙ্গ রাজনীতিতে ঘর ওয়াপসি পর্ব শুরু হয়েছে।
মাত্র দু’মাস আগে যে সমস্ত তৃণমূল নেতা নেত্রীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গলায় সুর তুলে তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করেছিলেন তারাই তৃণমূল সুপ্রিমো কাছে অনুরোধ জানিয়ে দলে ফিরে আসার কাতর আর্জি জানাচ্ছেন। বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন ট্রেন্ড ঘর ওয়াপসি পর্ব। অনেকেই তৃণমূলের কাছে ঘরে ফিরে আসার আবেদন জানাচ্ছে। তবে এ বিষয়ে আজ কড়া বার্তা দিলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। তিনি সরাসরি বলে দিয়েছেন, “দলবদলুদের আগামী ৬ মাস দলে ফেরানো উচিত নয়। এতে কর্মীদের মনোবল ভেঙে যেতে পারে। আমাকে রোজ অনেকেই ফোন করছেন।”
দমদমের তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় আজ জানিয়েছেন, “আমাকে রোজ অনেকেই ফোন করছেন যে দলে ফিরে আসবেন। কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে ৬ মাস মনিটরিং করার পক্ষে। আগামী ৬ মাস দলে কেউ ঢুকবে না। রাতারাতি বলছি আবার ফিরে আসবে। যে সমস্ত কর্মীরা জান লাগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে জিততে সাহায্য করেছে, তারা হতাশ হয়ে পড়বে।”
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গতকাল সাতগাছিয়া প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সোনালী গুহ দলে ফিরে আসার কথা জানিয়ে সর্বসমক্ষে একটি টুইট করেন। তিনি টুইটে বারংবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী হয়ে দলে ফিরে আসার কাতর আর্জি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “মাছ যেমন জল ছাড়া থাকতে পারে না, ঠিক তেমনি আমি দিদিকে ছাড়া থাকতে পারবো না। সারাজীবন দিদির আঁচলের তলায় থেকে কাজ করব।” অন্যদিকে একই পথ অনুসরণ করেছেন মালদার প্রাক্তন তৃণমূল নেত্রী সরলা মুর্মু। তিনি দলে ফিরে আসার জন্য আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আবেদন জানিয়েছেন।
ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তার কথা ভেবে অনেকেই এমন একটি বিনিয়োগের খোঁজ করেন, যেখানে ঝুঁকি কম এবং…
ভারতীয় অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট…
বিধানসভার স্বাক্ষর বিতর্ক ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এই আবহেই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক…
রাজ্যের উন্নয়নমূলক ও সংস্কার প্রকল্পগুলির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার।…
গত কয়েকদিনের তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার পর অবশেষে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে দক্ষিণবঙ্গের মানুষের। শুক্রবার…
পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে বড় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানালেন রাজ্যের পঞ্চায়েত…