করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় শুরু হয়েছে তৃতীয় দফার লকডাউন। তবে এবার মিলবে কিছু ছাড়। এই বিষয়ে সোমবার সাংবাদিক বৈঠক ডাকেন রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা। তিনি বলেন, কনটেনমেন্ট জোন ছাড়া সব এলাকাতেই মিলবে ছাড়। তবে অবশ্যই কিছু শর্ত মেনে চলতে হবে।
আসুন জেনে নিই কি সেই ছাড়-
১) রাজ্যের যে এলাকাগুলি গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, সেখানে জেলার মধ্যেই বাস চালানো যেতে পারে। তবে যাত্রী সংখ্যা ২০ জনের বেশি হওয়া চলবে না। যে সব বাসের রুটে একাধিক জেলা রয়েছে তাদের স্থানীয় আরটিও-র কাছে আবেদন জানিয়ে রুট বদলে নিতে হবে।
২) আগের নিয়ম মেনে খোলা যেতে পারে অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রীর দোকান। এছাড়া অন্য দোকানও খোলা যাবে। তবে কোনো আবাসন, বিজনেস কমপ্লেক্স বা শপিং মলের ক্ষেত্রে দোকান খোলা যাবে না। অন্যদিকে মিষ্টির দোকান খোলা যাবে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত।
৩) সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী খোলা যাবে চা ও পানের দোকান। তবে চায়ের দোকানে বসে আড্ডা চলবে না। সাথে মানতে হবে সামাজিক দূরত্ব।
৪) গ্রামীণ এলাকাগুলিতে তৃতীয় দফার লকডাউনে জেলাশাসকের অনুমতি নিয়ে নির্মাণ কাজ শুরু করা যাবে। এছাড়া শহরাঞ্চল ও কলকাতার ক্ষেত্রে পুর কমিশনারের অনুমতি নিয়ে নির্মাণ কাজ শুরু করা যাবে। যেখানে কাজ চলবে সেখানেই শ্রমিকদের থাকতে হবে।
৫) সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৫টা পর্যন্ত চলতে পারে বেসরকারি অফিসগুলি। তবে ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে অফিস চালাতে হবে। অফিসে যাওয়ার জন্য কেউ গাড়ি ব্যবহার করলে একটি গাড়িতে চালক ছাড়া দুজন যাত্রী থাকতে পারবে। তবে সরকারের তরফে বেসরকারি সংস্থাগুলিকে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ চালু রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
রাজ্যের মহিলাদের জন্য ঘোষিত অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে বড় আপডেট সামনে এল। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক…
টানা প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল বঙ্গবাসী। অবশেষে স্বস্তির খবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণ বিহারের উপর…
উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। গ্রেফতার হওয়া বাদুড়িয়া পৌরসভার…
রেল যাত্রীদের জন্য ফের বড়সড় ভোগান্তির খবর। পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনে ব্যান্ডেল স্টেশন এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ…
রাজ্যের সরকারি ও সরকারপোষিত স্কুলগুলিতে ছাত্রছাত্রীদের জন্য সরবরাহ করা ইউনিফর্মের গুণমান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন…
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার পুরসভায় রাজনৈতিক অস্থিরতা নতুন মাত্রা পেল। সোমবার দুর্নীতি, ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ…