News
২ অক্টোবর থেকেই দেশজুড়ে আন্দোলন : ককরোচ জনতা পার্টি

শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা আদায়ের পর এবার লক্ষ্য দেশের নির্বাচন সদন। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ফের একবার রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিল তরুণ ও যুব সম্প্রদায়ের তৈরি ভাইরালে পরিণত হওয়া রাজনৈতিক মঞ্চ ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। সংগঠনটির পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীর দিন মুম্বইয়ের ঐতিহাসিক আজাদ ময়দান থেকে এই আন্দোলনের সূচনা হতে চলেছে।
পরবর্তীকালে এই ‘ভারতজোড়ো’ প্রতিবাদ কর্মসূচি দেশের অন্যান্য বড় বড় শহরেও ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টার একটি চরম সময়সীমা (আলটিমেটাম) বেঁধে দিয়েছিলেন সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শনিবার সেই সময়সীমা শেষ হতেই মুম্বইয়ে আন্দোলনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হয়। সংগঠনটির দাবি, নির্বাচন কমিশনারের একক কিছু সিদ্ধান্ত এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের (Special Intensive Revision) নামে দেশজুড়ে প্রায় ১৩ কোটিরও বেশি মানুষের নাম বেআইনিভাবে বাদ দেওয়ার জেরেই এই চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন তাঁরা। তাদের স্পষ্ট বার্তা, “গণতন্ত্র রক্ষা করতে এই গান্ধী জয়ন্তীতেই নতুন লড়াই শুরু হবে।”
কী কারণে এই ক্ষোভ?
সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই ভোটার তালিকা সংশোধন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্য দুই কমিশনারের ভিন্নমতের খবর প্রকাশ্যে এসেছে। সিজেপি-র অভিযোগ, স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নষ্ট করে একতরফাভাবে ভোটারদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। এই ইস্যুতে ইতিমধ্যেই দিল্লির যন্তর মন্তর-সহ দেশের একাধিক রাজ্যে বিরোধীদের পাশে নিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছে আরশোলারা। বহু সিজেপি কর্মী ও সমর্থককে পুলিশ আটকও করেছে। তবে পুলিশি ধরপাকড় সত্ত্বেও নিজেদের দাবি থেকে এক চুলও নড়তে নারাজ তারা।
সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই ভোটার তালিকা সংশোধন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্য দুই কমিশনারের ভিন্নমতের খবর প্রকাশ্যে এসেছে। সিজেপি-র অভিযোগ, স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নষ্ট করে একতরফাভাবে ভোটারদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। এই ইস্যুতে ইতিমধ্যেই দিল্লির যন্তর মন্তর-সহ দেশের একাধিক রাজ্যে বিরোধীদের পাশে নিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছে আরশোলারা। বহু সিজেপি কর্মী ও সমর্থককে পুলিশ আটকও করেছে। তবে পুলিশি ধরপাকড় সত্ত্বেও নিজেদের দাবি থেকে এক চুলও নড়তে নারাজ তারা।
আরশোলাদের শক্তি প্রদর্শন
উচ্চ আদালতের এক বিচারপতির বিতর্কিত মন্তব্যের পর সমাজমাধ্যমে রাতারাতি গড়ে ওঠা এই ব্যঙ্গাত্মক যুব সংগঠনটি বর্তমানে দেশের শাসক ও বিরোধী শিবিরের কাছে এক বড় রাজনৈতিক মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত জুলাই মাসে দেশের প্রশ্নপত্র ফাঁস কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে সিজেপি-র লাগাতার গণ-আন্দোলনের জেরেই পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিল কেন্দ্র এবং পদত্যাগ করেছিলেন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী। সেই অভাবনীয় সাফল্যের পর, এবার সরাসরি নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ কর্তার অপসারণ এবং তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার দাবিতে আন্দোলনের পারদ চড়াতে চাইছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। ২ অক্টোবরের মুম্বই অভিযান ঘিরে ইতিমধ্যেই তোড়জোড় শুরু করেছে দেশের এই নতুন প্রজন্মের আন্দোলনকারীরা।
উচ্চ আদালতের এক বিচারপতির বিতর্কিত মন্তব্যের পর সমাজমাধ্যমে রাতারাতি গড়ে ওঠা এই ব্যঙ্গাত্মক যুব সংগঠনটি বর্তমানে দেশের শাসক ও বিরোধী শিবিরের কাছে এক বড় রাজনৈতিক মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত জুলাই মাসে দেশের প্রশ্নপত্র ফাঁস কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে সিজেপি-র লাগাতার গণ-আন্দোলনের জেরেই পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিল কেন্দ্র এবং পদত্যাগ করেছিলেন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী। সেই অভাবনীয় সাফল্যের পর, এবার সরাসরি নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ কর্তার অপসারণ এবং তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার দাবিতে আন্দোলনের পারদ চড়াতে চাইছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। ২ অক্টোবরের মুম্বই অভিযান ঘিরে ইতিমধ্যেই তোড়জোড় শুরু করেছে দেশের এই নতুন প্রজন্মের আন্দোলনকারীরা।

