করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন চলছে সারা দেশে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লকডাউন ঘোষণা করার পর কেটে গেছে প্রায় ১ মাস। এবার কিছুটা হলেও স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে চলেছে জনজীবন। মধ্যরাতে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, আজ শনিবার থেকে পুরসভা এলাকাগুলোতে দোকানপাট খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেছেন, শুধু অত্যাবশ্যকীয় পণ্যই নয়, খোলা থাকবে অন্যান্য দোকানও।
কেন্দ্র সরকারের এদিনের এই ঘোষণায় স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ মানুষের মনে। এই ঘোষণার পর আগামী ৩ রা মে লকডাউন শেষ হলে অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে উঠবে পরিস্থিতি, এমনটাই আশা করছে দেশের মানুষের একটা বড় অংশ। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ছোট ব্যবসায়ীরা, স্থানীয় দোকানদাররা, আবাসনের নীচের দোকানগুলো খোলা রাখা যাবে। তবে মেনে চলতে হবে সরকারি বিধিনিষেধ। কর্মী সংখ্যা ৫০ শতাংশের নীচে থাকতে হবে। দোকানে আসা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে।
তবে এই সুবিধা শুধুমাত্র গ্রিন জোন এলাকাগুলোর ছোট ব্যবসায়ী ও স্থানীয় দোকানদারদের জন্যই প্রযোজ্য হবে। করোনা সংক্রমিত এলাকা ও বড় শপিং কমপ্লেক্স ও মলের জন্য এই সুবিধা পাওয়া যাবে না। এখনও পর্যন্ত যে সব জায়গায় কোন করোনা পজিটিভ কেস ধরা পড়েনি, সেই সমস্ত এলাকাতেই মিলবে ছাড়। অন্যদিকে ছোট দোকান খোলা থাকলে বন্ধ থাকবে শপিং কমপ্লেক্স ও মল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তার কথা ভেবে অনেকেই এমন একটি বিনিয়োগের খোঁজ করেন, যেখানে ঝুঁকি কম এবং…
ভারতীয় অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট…
বিধানসভার স্বাক্ষর বিতর্ক ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এই আবহেই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক…
রাজ্যের উন্নয়নমূলক ও সংস্কার প্রকল্পগুলির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার।…
গত কয়েকদিনের তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার পর অবশেষে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে দক্ষিণবঙ্গের মানুষের। শুক্রবার…
পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে বড় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানালেন রাজ্যের পঞ্চায়েত…