দরিদ্রদের যাতে কোন রকম কোনো সমস্যা না হয়, তার জন্য এবার চালু করা হয়েছে ভারত সরকারের দ্বারা এক নতুন সিস্টেম। ই-পস মেশিনে সার্ভারের ত্রুটির কারণে এবং কখনো কখনো কার্ড-ধারিদের উদাসীনতার কারণে ই-কেওয়াইসি করার প্রক্রিয়াটা এখনো অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে ভারতে, বিভিন্ন জায়গায়। এই কেওয়াইসি করার শেষ তারিখ ৩০ শে সেপ্টেম্বর এবং যদি এই সময়ের মধ্যে কেওয়াইসি না করা হয় তাহলে কিন্তু কার্ডধারির নাম রেশন কার্ড তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে ভারত সরকারের তরফ থেকে।
উত্তরপ্রদেশের বলরামপুর জেলায় এই মুহূর্তে ৩ লক্ষ ৫৩ হাজার ৪৪৮ জন যোগ্য রেশন কার্ড ধারী রয়েছেন। প্রত্যেক ইউনিটে ২ কেজি গম এবং ৩ কেজি চাল দেওয়া হয়। প্রতিমাসে জেলার ৮৭৪ টি কোটা দোকান থেকে ১৬,৩৩,২১২ ইউনিট রেশন বিতরণ করা হয়। ই-পস মেশিনে বুড়ো আঙ্গুল বসানোর পরেই ইউনিট অনুযায়ী কাটার উপরে রাখলেই স্লিপ জারি করে দেওয়া হয়। স্লিপ পাওয়ার পরে রেশন সামগ্রিক মজুদের চেয়ে কিছুটা কম হতে পারে। বর্তমানে এই মেশিনের মাধ্যমেই কেওয়াইসির কাজ করছে ভারতের প্রতিটি রেশন বিভাগ।
জেলার সরবরাহ কর্মকর্তা কুমার কুমার নির্মলেন্দু জানিয়েছেন, যে কার্ড ধারীরা এখনো পর্যন্ত কেওয়াইসি করেননি তাদেরকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সুযোগ দেওয়া হচ্ছে এই কাজটা করে নেওয়ার। এরপরে কিন্তু, তাদের রেশন পেতে অসুবিধা হতে পারে। তখন কিন্তু সহজে এই কাজটা করা যাবে না। সেই কারণে কার্ডধারীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেওয়াইসি করে নিতে হবে বলে জানানো যাচ্ছে সরকারের তরফ থেকে।
কলকাতায় অবৈধ নির্মাণ রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিল কলকাতা পুরসভা (KMC)। শহরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বেআইনি…
কলকাতায় অবৈধ নির্মাণকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহেই তৃণমূল…
বর্তমান সময়ে নিরাপদ বিনিয়োগের পাশাপাশি নিয়মিত আয়ের সুযোগ খুঁজছেন অনেকেই। শেয়ার বাজার বা ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে…
গত কয়েকদিন ধরে তীব্র গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ায় নাজেহাল বাংলা। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়…
দেশের বাজারে সোনা ও রুপোর দামের ওঠানামা সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বিয়ের…
রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দফতরে দীর্ঘদিন ধরে শূন্যপদ নিয়ে আলোচনা চলছিল। এবার সেই বিষয়েই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ…