স্টাফ রিপোর্টার: প্রথমেই ২১ দিনের লকডাউনে গৃহবন্দী ছিল গোটা দেশ, এরপর আবার সময়সীমা বাড়িয়ে ৩রা মে পর্যন্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এরই মাঝে বান্দ্রা স্টেশনে হাজির হয়েছেন হাজার-হাজার মানুষ। তারা প্রত্যেকেই বাইরের রাজ্যের শ্রমিক।
জানা গেছে দিনের পর দিন প্রয়োজনীয় খাবার ও পানীয় জলের অভাবে বাড়ি ফিরতে চাইছেন তারা। এই কারণেই তারা স্টেশনে জমায়েত করেন। তাদের এই জমায়েতে বেড়ে গেছে সংক্রমণের আশঙ্কা। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ।
লকডাউনের কারণে বন্ধ সমস্ত যাতায়াতের মাধ্যম। তবে বাঁচার জন্য নূন্যতম খাবারের জোগান দিতে না পারায় প্রত্যেকে বাড়ি ফিরতে চাইছেন তারা। এমনিতেই করোনা আক্রান্তে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্য হল মহারাষ্ট্র, তার উপর তাদের এই জমায়েত সংক্রমণের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দিয়েছে আরও কয়েকগুণ।
এই বিষয়ে শ্রমিকেরা জানিয়েছেন, তারা ভেবেছিলেন যে লকডাউন আজই উঠে যাবে। তাই কষ্ট করে অপেক্ষা করেছিলেন। তবে এর মেয়াদ আরও বেড়ে যাওয়ায় খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। তাই বাড়ি ফেরা খুবই জরুরি।
তবে শুধু এই ঘটনাই নয়, এর আগে গত ২৮শে মার্চ দিল্লীর আনন্দবিহার বাসস্ট্যান্ডেও দেখা গিয়েছিল এমনই ছবি। যেখানে সরকার থেকে বারবার অনুরোধ করা হয়েছে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার সেখানে ভিনরাজ্যের শ্রমিকেরা বাড়ি ফিরতে ভীড় জমিয়েছিলেন বাসস্ট্যান্ডে।
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তে থাকে উন্মাদনা। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স বা পর্তুগালের মতো…
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এবার এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সাধারণত রবিবার স্কুল বন্ধ…
ভারতীয় ক্রিকেটের উঠতি তারকা বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে। মাত্র ১৫…
পশ্চিমবঙ্গে স্মার্ট মিটার বসানো নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী,…
জামাইষষ্ঠীর দিনেও স্বস্তির আবহাওয়া মিলছে না বঙ্গবাসীর কপালে। বরং মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার জেরে আগামীকাল দক্ষিণবঙ্গ…
ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপের পথে ভারতীয় নৌবাহিনী। অত্যাধুনিক…