পাকিস্তানে ভেঙে ফেলা হল আরও একটি হিন্দু মন্দির, সব মিলিয়ে মোট ৪২৮ মন্দিরের মধ্যে পাকিস্তানে এখন মাত্র ২০ টি মন্দিরই রয়ে গেছে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার বিরোধিতা করেছেন লন্ডনের এক পাকিস্তানি মানবাধিকার কর্মী।তাদের মতে পাকিস্তানের পাকিস্তানের শ্রীরাম মন্দিরে যে ধ্বংসলীলা চালানো হয়েছে তার তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে।
কিছু দিন আগেই মানবাধিকার পরিষদের ৪৫তম অধিবেশনে সন্ত্রাসবাদ এবং সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে পাকিস্তানকে এক হাত নেয় ভারত। ওই দিন পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর বলে তুলোধোনা করে ভারত। প্রসঙ্গত, ভারতীয় কূটনীতিবিদ বলেন, “ভারত হোক বা অন্য দেশ, কেউই পাকিস্তানের কাছ থেকে মানবাধিকার বিষয়ে কোনও কথা শুনতে চায় না।
যে দেশে সাম্প্রদায়িক সংঘ্যালঘুরা ক্রমাগত নিপীড়িত হয়ে চলেছে, যে দেশ সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘরে পরিণত হয়েছে সে এই মঞ্চের যোগ্য না। যেদেশের প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন জম্মু কাশ্মীর দখলের জন্য ১০ হাজার জঙ্গি তৈরি হচ্ছে, তারা এই মঞ্চের যোগ্যই নয়। আজ এফটি এর মতো সংস্থাগুলি যে পাকিস্তানকে জঙ্গিবাদে আর্থিক মদতের জন্য এক হাত নিচ্ছে তাতেও অবাক হওয়ার কিছু নেই”। আর এতো কিছুর পরেও পাকিস্তানের কোন বদল নেই।
পাকিস্তানে বহুদিন ধরেই হিন্দু মানুষের বসবাস রয়েছে। কিন্তু এই ঘটনার পরে তাদের ধর্মচর্চার মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে অনেকে অভিযোগ করে এসেছেন। পাকিস্তানের হিউম্যান রাইটস কমিশন জানিয়েছে যা হয়েছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক, এমনকি হিন্দুদের উপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে সেই ব্যাপারে পাকিস্তান মানবাধিকার কমিশন যথেষ্ট চিন্তিত।














David Beckham’s Former Assistant Reacts to Brooklyn Beckham’s Bombshell Statement