Trending NewsAppleNYT GamesCelebrity NewsWordle tipsBig 12 SoccerCelebrity BreakupsKeith UrbanUnited Nations Day

মাতঙ্গিনী হাজরা নাকি অসমের! লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের অংশ নিয়ে শুরু তুমুল বিতর্ক

Updated :  Sunday, August 15, 2021 1:23 PM

মাতঙ্গিনী হাজরা পশ্চিমবঙ্গের নন বরং অসমের, লালকেল্লায় স্বাধীনতার হীরক জয়ন্তী বর্ষে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ রাখতে গিয়ে আবারো বিতর্কের মুখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দিল্লির লালকেল্লা থেকে ভাষণ রাখতে গিয়ে যখন মাতঙ্গিনী হাজরার প্রসঙ্গ ওঠে তখন তিনি বলেন, “অসমের মাতঙ্গিনী হাজরা পরাক্রম দেখিয়েছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে।” আর তার এই বক্তব্যের পরেই চাঞ্চল্য রাজনৈতিক মহলে।

প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির এই বেফাস মন্তব্যের তীব্র সমালোচনায় মুখর তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুনাল ঘোষ টুইট করে লেখেন, “অসম থেকে এসেছেন মাতঙ্গিনী হাজরা? পাগল হয়ে গেছেন? ইতিহাস জানেন না? আপনার কোন অনুভূতি নেই? শুধু অন্যের লিখিত ভাষণ এর উপরে ভরসা করেন? আপনাকে ক্ষমা চাইতে হবে, এটা বাংলা টকশো অপমানজনক। ওদের পূর্ব মেদিনীপুরের গদ্দারো ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি দিন।”

তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য শান্তনু সেন মোদির মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, বিজেপির কাছে এ ধরনের ভুল কোনো বড় কথা নয়। এর আগেও অনেক ভুল হয়েছে। রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম এই প্রসঙ্গে বলেছেন, ” দেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে না জানলে মাতঙ্গিনী হাজরা সম্পর্কে না জানলে সেটা তার ভুল। কিন্তু মাতঙ্গিনী হাজারের মতো স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্থান মানুষের হৃদয়ে রয়েছে। ”

অন্যদিকে, বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এ বিষয়টিকে অত্যন্ত ছোট বিষয় হিসেবে দেখেছেন। তিনি বলছেন, এরকম ছোটখাটো ভুলকে বড় করে দেখার কিছু নেই। দেশে এমন হাজার হাজার মহা পুরুষ রয়েছেন যারা দেশের জন্য আত্ম বলিদান দিয়েছেন। যারা এখন এ বিষয়টি নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন, তারা মাতঙ্গিনী হাজরার জন্য কি করেছেন? প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আজকের ভাষণে দেশের সমস্ত স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু, ঐক্যবদ্ধ দেশ করে তোলার উপকার সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেল, দেশকে ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শনকারী বি আর আম্বেদকর এর পাশাপাশি তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে মাতঙ্গিনী হাজরার বিষয়ে কথা বলেন।কিন্তু সেই প্রসঙ্গে একটি বেফাঁস মন্তব্য করে বিতর্কের সূত্রপাত করে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।