ভারতীয় রেল মাল পরিবহন থেকে সবচেয়ে বেশি আয় করে। কিন্তু রেললাইনে যানজটের কারণে পণ্যবাহী ট্রেন যথেষ্ট দেরিতে গন্তব্যে পৌঁছায়। এমতাবস্থায় রেলের পরিষেবা ব্যবহারকারী সংস্থাগুলি পণ্য সরবরাহের জন্য অন্যান্য কিছু পদ্ধতি অবলম্বন শুরু করেছে। এতে রেলের রাজস্ব কমার আশঙ্কা বাড়তে শুরু করেছে। এই বিষয়টি মাথায় রেখেই রেলওয়ে ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডোর নিয়ে কাজ করছে। এর আগে দেশে এত বড় মালবাহী করিডোর তৈরি হয়নি। রেলওয়ে ২টি করিডোর তৈরি করছে যা একে অপরকে ক্রস করবে একটি জায়গায়।
লুধিয়ানা থেকে ডানকুনি পর্যন্ত প্রথম মালবাহী করিডোর তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে রেওয়ারি থেকে মুম্বইয়ের জওহরলাল নেহরু বন্দর পর্যন্ত তৈরি হচ্ছে। রেওয়ারি থেকে দাদরিও ট্রেন নিয়ে যাওয়া হবে এই করিডোরের মাধ্যমে। এই প্রকল্পটি ২০০৬ সালে শুরু হয়েছিল। তবে এখন প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষের দিকে। এর নির্মাণের আনুমানিক ব্যয়ও ২১,১৪০ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১.২৪ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে। এটি কিছু ছোট দেশের জিডিপির চেয়েও বেশি। তবে, বুলেট ট্রেন প্রকল্পে আরও বেশি টাকা ব্যয় করবে সরকার। বুলেট ট্রেন প্রকল্পে প্রায় ১.৬৭ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে অনুমান করা হয়েছে।
ভারতের ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোর কর্পোরেশনের এমডি রবীন্দ্র কুমার জৈন বলেছেন যে ওয়েস্টার্ন এবং ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডোরের ৯০ শতাংশ কাজ এই বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে। তিনি জানান, মহামারী, পরিবেশগত ছাড়পত্র, অবৈধ দখল ও স্থানীয় বিক্ষোভের কারণে প্রকল্পের কাজ শেষ হতে বিলম্ব হচ্ছে। তবে এই কাজ শেষ হলে অনেক সহজেই জিনিসপত্র আবারো নিজের জায়গায় নিয়ে আসা যাবে।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দফতর আবারও রাইটার্স বিল্ডিংয়ে ফিরতে…
স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI)-র গ্রাহকদের জন্য জরুরি সতর্কতা। আগামী ৯ মে শনিবার নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণের…
পদ্ম ফুটেছে পশ্চিমবঙ্গে। তৃণমূল সরকারকে সরিয়ে দুই-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। আর তার পর…
পশ্চিমবঙ্গে সরকার পরিবর্তনের আবহে নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে স্বাস্থ্যসাথী (Swasthya Sathi) প্রকল্পের ভবিষ্যৎ। বিজেপি…
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের আবহে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করলেন পরিচালক তথা…
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল কয়েকদিন ধরেই। তবে…