Trending NewsAppleNYT GamesCelebrity NewsWordle tipsBig 12 SoccerCelebrity BreakupsKeith UrbanUnited Nations Day

ইস্তফা নয়, আইনি লড়াই? মমতার অবস্থানে জল্পনা তুঙ্গে

Updated :  Tuesday, May 5, 2026 11:00 AM

বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বাংলার রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) কবে ইস্তফা দেবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে। গেরুয়া শিবিরের সাফল্যে কার্যত কোণঠাসা হয়েছে শাসকদল, এমনকি ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেও পরাজয়ের মুখ দেখতে হয়েছে তাঁকে।

ইস্তফা নিয়ে বিতর্ক

বর্তমানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর বিধায়ক নন। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ না করায় শুরু হয়েছে বিতর্ক। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ২০১১ সালে পালাবদলের সময় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ফল ঘোষণার দিনই ইস্তফা দিয়েছিলেন। সেই নজিরের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা টানা হচ্ছে।

কেন ইস্তফা দিচ্ছেন না মমতা?

ভোটের ফলাফল নিয়ে ইতিমধ্যেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গণনাকেন্দ্রে পৌঁছে তিনি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগও তুলেছেন। তাঁর দাবি, এই নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি হয়েছে এবং বিজেপির জয় নৈতিক নয়। তিনি সরাসরি অভিযোগ করেছেন যে ভোট লুট করা হয়েছে।

আইনি পথে হাঁটার ইঙ্গিত?

এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হয়তো আইনি লড়াইয়ের পথ বেছে নিতে পারেন। আদালতে গিয়ে নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এদিন তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন—তিনি হারেননি, তাঁর ভোট লুট হয়েছে, তাই ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। পাশাপাশি ইন্ডিয়া জোটের সঙ্গে শক্তি বাড়ানোর কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।

বিরোধীদের প্রশ্ন

অন্যদিকে, বিরোধীরা ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে—কেন এখনও ইস্তফা দেওয়া হল না? এই পরিস্থিতিতে সাংবিধানিক রীতি কীভাবে পালন করা হবে, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

রাজভবনের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ

এখন নজর রয়েছে রাজভবনের দিকে। রীতি অনুযায়ী, সংখ্যাগরিষ্ঠ দলকে সরকার গঠনের আহ্বান জানাবেন রাজ্যপাল। তবে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা না দিলে কী পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তফা না দেওয়া এবং আইনি পথে যাওয়ার সম্ভাবনা—দুই নিয়েই এখন জল্পনা তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে বাংলার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কোন পথে এগোবে, সেটাই এখন দেখার। পরবর্তী কয়েকদিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে, কারণ এই সময়েই স্পষ্ট হবে ক্ষমতার সমীকরণ কোন দিকে মোড় নিচ্ছে।