ভারতের গাড়ি নির্মাণ শিল্পে মারুতি সুজুকি অনেক দিন ধরেই শীর্ষস্থান অধিকার করে আছে। এই অসাধারণ সাফল্যের পিছনে রয়েছে উচ্চমানের ফিচার, কম রক্ষণাবেক্ষণ খরচ এবং দারুণ মাইলেজের অনন্য সমন্বয়। এই তিনটি বিষয়ই গ্রাহকদের মন জয় করেছে এবং মারুতি সুজুকিকে ভারতীয় গাড়ি বাজারে অন্যতম জনপ্রিয় ব্র্যান্ডে পরিণত করেছে।
ইকোর অদম্য জনপ্রিয়তা:
২০১০ সালে লঞ্চ হওয়া মারুতি ইকো মডেলটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্যের গল্প রচনা করেছে বিগত ১৪ বছর ধরে। এই ৭-সিটার গাড়ি তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি, ইকো ১০ লাখ ইউনিট বিক্রির মাইলফলক অতিক্রম করেছে, যা ভারতীয় গাড়ি বাজারে একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য।
বৈচিত্র্যই শক্তি:
মারুতি সুজুকি গ্রাহকদের বিভিন্ন চাহিদা বিবেচনা করে ইকোকে ১৩টি আকর্ষণীয় ভ্যারিয়েন্টে অফার করে। এর মধ্যে রয়েছে ৫-সিটার ও ৭-সিটার উভয় বিকল্পই, যা মারুতি সুজুকির গ্রাহক-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রমাণ দেয়। ইত্যাদি বিষয় ইকোর ১৩ বছরের দীর্ঘ যাত্রায় তার ধারাবাহিক সাফল্যের মূল কারণ।
নতুন ইকো: উন্নত অভিজ্ঞতা
সফলতার গতিপথে মারুতি সুজুকি এবারে বাজারে নিয়ে এসেছে নতুন ও উন্নত ইকো মডেল। ৫.২৫ লাখ টাকা (এক্স-শোরুম, দিল্লি) মূল্যে এই মডেলটি বাজারে এসেছে। এই মডেলটিতে রয়েছে একটি আকর্ষণীয় ইন্টেরিয়র ডিজাইন এবং উন্নত ফিচার। ১.২-লিটার কে-সিরিজ ডুয়াল-জেট ভিভিটি পেট্রোল ইঞ্জিন দ্বারা চালিত এই গাড়িটি ৮০.৭৬ পিএস পাওয়ার এবং ১০৪.৪ এনএম টর্ক সরবরাহ করে, যা নিশ্চিত করে নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী পারফরম্যান্স।
অর্থাৎ সহজ করে বলতে গেলে, মারুতি সুজুকির অসাধারণ সাফল্যের এই গল্পে ইকো একটি উজ্জ্বল অধ্যায়। বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্ট, রেকর্ড-ভাঙা বিক্রি এবং নিরন্তর উন্নয়নের মাধ্যমে মারুতি সুজুকি ভারতীয় গাড়ি বাজারে তার শীর্ষস্থান দৃঢ় করেছে বহু বছর ধরে। আর এভাবেই গ্রাহকদের আস্থা ও পছন্দ অর্জন করে মারুতি সুজুকি এগিয়ে চলেছে ভবিষ্যতের দিকে।














David Beckham’s Former Assistant Reacts to Brooklyn Beckham’s Bombshell Statement