মেট্রো কোচের মধ্যেই এবার করা যাবে জন্মদিনের পার্টি, প্রি-ওয়েডিং শুট, ফটোশুট-সহ একাধিক অনুষ্ঠান। শুধু তাই নয়, ওয়েব সিরিজ, তথ্যচিত্র, বিজ্ঞাপন শুটিং এবং সিনেমাটোগ্রাফির মতো সৃজনশীল কাজেরও অনুমতি দেওয়া হবে। ফলে মেট্রো আর শুধুমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম থাকছে না, বরং বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজনের নতুন জায়গা হিসেবেও উঠে আসছে।
কোন উদ্যোগ চালু করেছে মেট্রো?
মধ্যপ্রদেশ মেট্রো রেল কর্পোরেশন লিমিটেড (MPMRCL) ‘সেলিব্রেশনস অন হুইলস’ নামে এই অভিনব উদ্যোগ চালু করেছে। এই পরিষেবার আওতায় ইন্দোর ও ভোপালের মেট্রো স্টেশন এবং নির্দিষ্ট মেট্রো কোচ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহার করা যাবে। আধুনিক শহুরে জীবনযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই নতুন পরিষেবা চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
কেন নেওয়া হল এই সিদ্ধান্ত?
সূত্রের খবর, ইন্দোর ও ভোপাল মেট্রোয় প্রত্যাশিত যাত্রী সংখ্যা এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি। তাই সাধারণ মানুষের মধ্যে মেট্রো পরিষেবাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে প্রি-ওয়েডিং শুটের জনপ্রিয়তা বাড়ায় এই উদ্যোগ বড় সাড়া ফেলতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
কত টাকা খরচ হবে?
মেট্রো কোচ ব্যবহার করতে নির্দিষ্ট চার্জ ধার্য করা হয়েছে। স্থির মেট্রো কোচের জন্য প্রতি ঘণ্টায় ৫,০০০ টাকা খরচ হবে। অন্যদিকে চলন্ত মেট্রো কোচে অনুষ্ঠান বা শুটিং করতে চাইলে প্রতি ঘণ্টায় দিতে হবে ৭,০০০ টাকা। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বিধি মেনে চলা বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ।
কী বলছে কর্তৃপক্ষ?
এমপিএমআরসিএল-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস. কৃষ্ণ চৈতন্য জানিয়েছেন, নাগরিকদের আধুনিক চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, মেট্রোকে শুধুমাত্র পরিবহণ ব্যবস্থা হিসেবে নয়, বরং মানুষের দৈনন্দিন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেও গড়ে তুলতে চাইছে কর্তৃপক্ষ।
ভবিষ্যতে কী হতে পারে?
এই ঘোষণার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য শহরের মেট্রো পরিষেবাও একই ধরনের উদ্যোগ নিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিষেবা জনপ্রিয় হলে মেট্রোর আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আকর্ষণও অনেকটাই বাড়বে।









