টানা প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল বঙ্গবাসী। অবশেষে স্বস্তির খবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণ বিহারের উপর তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দু’দিন রাজ্যের তাপমাত্রাও কিছুটা কমতে পারে।
দক্ষিণবঙ্গের আগামীকালের আবহাওয়া
হাওয়া অফিসের বুলেটিন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রোদের তেজ অনুভূত হবে। দিনের শুরুতে আকাশ মোটামুটি পরিষ্কার থাকলেও দুপুরের পর থেকেই কালো মেঘ জমতে পারে। বিকেল কিংবা সন্ধ্যার দিকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর। আবহাওয়াবিদদের মতে, এই ঝড়-বৃষ্টির ফলে দক্ষিণবঙ্গের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে যেতে পারে। ফলে গরমের অস্বস্তি অনেকটাই কমবে।
কলকাতার আগামীকালের আবহাওয়া
কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলির জন্য আগামী ২৮ ও ২৯ মে ‘হলুদ সতর্কবার্তা’ জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে শহরে ঝোড়ো হাওয়া, বজ্রপাত এবং মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, কলকাতায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে বৃষ্টির জেরে শহরের তাপমাত্রা কিছুটা কমবে এবং গরম থেকে মিলবে স্বস্তি।
উত্তরবঙ্গের আগামীকালের আবহাওয়া
উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও খুব ভারী বর্ষণের আশঙ্কা নেই। মালদা, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। অন্যদিকে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার-সহ উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।








