পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক (PNB)-এর গ্রাহকদের জন্য বড় সতর্কবার্তা। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে KYC আপডেট না করলে বহু অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা ব্লক হয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে ব্যাঙ্ক। তাই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে গ্রাহকদের। ইতিমধ্যেই এই ঘোষণা ঘিরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে বহু গ্রাহকের মধ্যে। দেরি করলে বড় সমস্যায় পড়তে হতে পারে বলেই সতর্ক করছে ব্যাঙ্ক।

১৬ এপ্রিল থেকে শুরু হতে পারে অ্যাকাউন্ট বন্ধ
ব্যাঙ্ক সূত্রে খবর, ১৬ এপ্রিল থেকে ধাপে ধাপে নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। বিশেষ করে যেসব অ্যাকাউন্ট দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করা হয়নি, সেগুলিই এই তালিকায় পড়ছে।
কোন অ্যাকাউন্টগুলি ঝুঁকিতে?
PNB জানিয়েছে, যেসব অ্যাকাউন্টে—
- গত ৩ বছর ধরে কোনও লেনদেন হয়নি
- অ্যাকাউন্টে শূন্য ব্যালেন্স রয়েছে
- এবং ব্যাঙ্কের কাছে inactive বা dormant হিসেবে চিহ্নিত
সেগুলিই মূলত বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
১৫ এপ্রিল শেষ সুযোগ
এই ধরনের অ্যাকাউন্ট পুনরায় সক্রিয় করার শেষ তারিখ ১৫ এপ্রিল। এই সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে, কোনও অতিরিক্ত নোটিশ ছাড়াই অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে ব্যাঙ্ক।
কীভাবে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করবেন?
অ্যাকাউন্ট পুনরায় চালু করার জন্য গ্রাহকদের নিকটবর্তী PNB শাখায় গিয়ে KYC (Know Your Customer) আপডেট করতে হবে। এছাড়াও, অ্যাকাউন্টে কোনও লেনদেন—যেমন টাকা জমা বা তোলা—করলেও অ্যাকাউন্ট সক্রিয় রাখা সম্ভব।
কেন এই পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্যাঙ্ক?
ব্যাঙ্কগুলির নিয়ম অনুযায়ী, দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকা অ্যাকাউন্টগুলি প্রতারণা বা অপব্যবহারের ঝুঁকিতে বেশি থাকে। তাই নিয়মিত পর্যালোচনার মাধ্যমে এমন অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অ্যাকাউন্ট বন্ধ হলে কী হবে?
যদি কোনও অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে সেটি পুনরায় চালু করতে বা নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে অতিরিক্ত নথি ও KYC যাচাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে। এতে সময় ও ঝামেলা বাড়তে পারে।
এখন গ্রাহকদের কী করা উচিত?
যাদের অ্যাকাউন্টের অবস্থা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে, তাদের দ্রুত ব্যাঙ্ক শাখায় যোগাযোগ করা উচিত। ১৫ এপ্রিলের আগেই KYC আপডেট বা অন্তত একটি লেনদেন করা জরুরি। দেরি না করে এখনই পদক্ষেপ নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। সময়সীমা পেরিয়ে গেলে সমস্যার সমাধান আরও জটিল হয়ে যেতে পারে। তাই আগে থেকেই সতর্ক হয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে ব্যাঙ্ক।











