Trending NewsAppleNYT GamesCelebrity NewsWordle tipsBig 12 SoccerCelebrity BreakupsKeith UrbanUnited Nations Day

Rahul Banerjee Postmortem: জলে কতক্ষণ ছিলেন? ময়নাতদন্তে চাঞ্চল্য—ফুসফুসে বালি, রহস্যে ঘেরা রাহুলের মৃত্যু

Updated :  Monday, March 30, 2026 5:13 AM

টলিউড অভিনেতা Rahul Arunoday Banerjee-র মৃত্যুর পর ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সামনে আসতেই গোটা ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন রহস্য। প্রথমে যা সাধারণ ডুবে মৃত্যুর ঘটনা বলে মনে হচ্ছিল, তা এখন ক্রমশ জটিল ধাঁধায় পরিণত হচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাহুলের শরীরে যে চিত্র মিলেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং অস্বাভাবিক।

চিকিৎসকদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে জানা গিয়েছে, তাঁর ফুসফুসে অস্বাভাবিক পরিমাণে বালি ও নোনা জল জমে ছিল। শুধু তাই নয়, ফুসফুস এতটাই ফুলে গিয়েছিল যে তা প্রায় দ্বিগুণ আকার ধারণ করেছিল। খাদ্যনালিতেও বালি ও সমুদ্রের জলের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এত বিপুল পরিমাণ জল ও বালি শরীরে প্রবেশ করতে গেলে দীর্ঘ সময় জলের নিচে থাকতে হয়—অল্প সময়ে এমনটা সম্ভব নয়।

এই তথ্য থেকেই অনুমান করা হচ্ছে, দুর্ঘটনার পর বেশ কিছুক্ষণ জলের নিচেই ছিলেন অভিনেতা। চিকিৎসকদের একাংশের ধারণা, এই সময়কাল এক ঘণ্টা বা তারও বেশি হতে পারে। এখানেই তৈরি হচ্ছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—তাহলে কি তাঁকে উদ্ধার করতে দেরি হয়েছিল?

ঘটনাস্থলের প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার পর দ্রুতই তাঁকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট যেন সেই দাবিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করছে। যদি দ্রুত উদ্ধার হয়ে থাকে, তবে শরীরে এতটা বালি ও জল কীভাবে জমল? এই অসঙ্গতিই এখন তদন্তের মূল কেন্দ্রে।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, রাহুলের শরীর থেকে ভিসেরা সংগ্রহ করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তাঁর শরীরে কোনও ধরনের অ্যালকোহল বা অন্য উপাদানের উপস্থিতি ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও রিপোর্ট সামনে আসেনি, তদন্তকারীরা সমস্ত সম্ভাবনাই খোলা রাখছেন।

এই মৃত্যুকে ঘিরে এখন একাধিক প্রশ্ন উঠে আসছে—উদ্ধার প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হয়েছিল কি? নাকি তাঁকে খুঁজে পেতেই অনেকটা সময় লেগেছিল? প্রোডাকশন টিম এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানের মধ্যে পার্থক্য থাকায় রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। ময়নাতদন্তের পর অভিনেতার দেহ শববাহী গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁর প্রিয় বিজয়গড়ের বাড়িতে। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত যে জায়গার সঙ্গে তাঁর আবেগ জড়িয়ে ছিল, সেখানেই ফিরলেন তিনি—তবে নিথর হয়ে, চিরবিদায়ের পথে।