কলকাতা: দীর্ঘ সময়ের লকডাউন এবং উদ্বেগজনক করোনা পরিস্থিতির কারণে রাজ্যের কৃষক ও মৎস্যজীবীদের কার্যত বেঁচে থাকা দায় হয়ে উঠেছে। আর তাই এবার কৃষক ও মৎস্যজীবীদের জন্য নতুন ভাবনা নিয়ে এসেছে রাজ্য সরকার। পুজোর আগে কৃষক ও মৎস্যজীবীদের জন্য আগাম পেনশনের ব্যবস্থা করতে চলেছে রাজ্য সরকার।
শুধুমাত্র করোনা ভাইরাস নয়, আমফানের কারণেও রাজ্যে কৃষক ও মৎস্যজীবীদের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। তাই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই আগাম পেনশনের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, আগামী দু’মাস অর্থাৎ অক্টোবর-নভেম্বর মাসে প্রত্যেক মৎস্যজীবী দু’হাজার টাকা করে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে আগাম পেনশন বাবদ পাবে।
এই বিষয়ে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র জানান, ‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। করোনা ভাইরাস ও আমফানের জেরে রাজ্যে কৃষক ও মৎস্যজীবীরা অত্যন্ত সংকটের মধ্যে রয়েছে। আর তাই তাদের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুজোর আগে এই আগাম পেনশন প্রত্যেক কৃষক ও মৎস্যজীবীদের পরিবারে হাসি ফোটাবে বলে আমরা আশাবাদী।’
বছর শেষ হলেই বিধানসভা নির্বাচন। আর তাই তার আগে কৃষক ও মৎস্যজীবী ভোটারদের নিজেদের হাতে রাখতে এমন পদক্ষেপ নিয়েছে তৃণমূল-কংগ্রেস, এমনটাই মনে করছে বিরোধী শিবির বিজেপি। ভোটব্যাঙ্ক গোছাতে না আক্ষরিক অর্থে কৃষক ও মৎস্যজীবীদের পাশে দাঁড়াতেই এই পদক্ষেপ তা নিয়ে রীতিমত জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তবে যাই হোক রাজ্য সরকারের এই ঘোষণা কৃষক ও মৎস্যজীবীদের একটু হলেও স্বস্তি দিয়েছে, তা বলাই যায়।
রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) ৩১ মার্চের মধ্যেই মিটিয়ে…
আইপিএলের প্রথম ম্যাচের আগেই বড় ধাক্কা কলকাতা নাইট রাইডার্স শিবিরে। একের পর এক চোট সমস্যায়…
আন্তর্জাতিক বাজারের টানাপোড়েন আর ডলারের ওঠানামার মাঝে আবারও নাটকীয় মোড় নিল সোনার দাম। ২৯ মার্চ…
আগামী দু’বছরে সাদা বলের ক্রিকেটে ভারতের সামনে বড় তিনটি মঞ্চ—২০২৭ সালের এক দিনের বিশ্বকাপ, ২০২৮…
যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানির বাজারে। বিশ্বজুড়ে এলপিজি সঙ্কটের আশঙ্কার মধ্যেই সাধারণ মানুষের…
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। ২০১৬ থেকে…