বঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে এবার বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে বাড়ছে উন্মাদনা। রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন, ৯ মে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত হতে চলেছে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। রাজনৈতিক মহলের পাশাপাশি টলিপাড়াতেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা— কোন কোন শিল্পী এবং সাংস্কৃতিক জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের দেখা যাবে এই মঞ্চে?
মিঠুন থেকে রূপা, হাজির থাকবেন একাধিক পরিচিত মুখ
জানা গিয়েছে, অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ পেয়েছেন এবং তিনি সেখানে থাকবেন বলেও নিশ্চিত করেছেন। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের হয়ে একাধিক সভা ও প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।
এছাড়াও বিজেপির টিকিটে জয়ী হওয়া শিল্পী-রাজনীতিকদেরও অনুষ্ঠানে দেখা যাবে। সেই তালিকায় রয়েছেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, পাপিয়া অধিকারী, শর্বরী মুখোপাধ্যায় এবং লকেট চট্টোপাধ্যায়। অভিনেত্রী অঞ্জনা বসুকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে খবর।
সাংস্কৃতিক জগতের বিশিষ্টদেরও আমন্ত্রণ
শুধু টলিউড নয়, বাংলার বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। পদ্মশ্রী প্রাপক মমতা শঙ্কর জানিয়েছেন, তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। বিশিষ্ট সরোদবাদক পণ্ডিত তেজেন্দ্র নারায়ণ মজুমদারও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
এছাড়াও পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী, তবলাশিল্পী পণ্ডিত কুমার বোস, সঙ্গীতশিল্পী পণ্ডিত তরুণ ভট্টাচার্য এবং নৃত্যশিল্পী সঞ্চিতা ভট্টাচার্যকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। যদিও তরুণ ভট্টাচার্য শহরের বাইরে থাকবেন বলে জানা গিয়েছে, তবে সঞ্চিতা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
পদ্মশ্রী প্রাপকদের উপর বিশেষ নজর
দলের তরফে জানা গিয়েছে, বাংলার পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। ফলে শেষ মুহূর্তে আরও একাধিক নাম এই তালিকায় যুক্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
টলিপাড়ায় জোর চর্চা
এবারের নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের প্রচারে টলিপাড়ার একাংশকে সক্রিয়ভাবে দেখা গিয়েছিল। তাঁদের অনেকেই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জল্পনা। অন্যদিকে, এতদিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারমঞ্চে নিয়মিত দেখা যেত যাঁদের, তাঁদের অনেককেই এই অনুষ্ঠানে দেখা নাও যেতে পারে বলে টলিপাড়ায় আলোচনা শুরু হয়েছে। ব্রিগেডের মঞ্চে শেষ পর্যন্ত বাংলার কোন কোন প্রথম সারির তারকা উপস্থিত থাকেন, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক মহলের।










