Trending NewsAppleNYT GamesCelebrity NewsWordle tipsBig 12 SoccerCelebrity BreakupsKeith UrbanUnited Nations Day

সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরে কড়া বার্তা! ক্ষতিপূরণ আদায়ে তদন্তের নির্দেশ, খুলছে পুরনো ফাইল

Updated :  Saturday, June 6, 2026 9:34 AM

সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এবার কঠোর অবস্থান নিল রাজ্য সরকার। সরকারি সম্পদের ক্ষতি করলে তার ক্ষতিপূরণ আদায়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অতীতে ঘটে যাওয়া সরকারি সম্পত্তি নষ্টের ঘটনাগুলিও নতুন করে খতিয়ে দেখার কথা জানানো হয়েছে।

নবান্নে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দেন যে, সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। বিশেষ করে রেল ও অন্যান্য সরকারি পরিকাঠামোতে ভাঙচুরের অভিযোগগুলি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুরনো ঘটনাগুলির তদন্তে জোর

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) নিয়ে আন্দোলনের সময় রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় রেল সম্পত্তি, স্টেশন এবং অন্যান্য সরকারি অবকাঠামোতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের একাধিক ঘটনা সামনে আসে। এবার সেই সমস্ত অভিযোগ নতুন করে পর্যালোচনা করার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের জন্য বিশেষ কমিটি গঠনের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ক্ষতিপূরণ আদায়ে কড়া অবস্থান

সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, তদন্তে যদি কারও বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। প্রশাসনের দাবি, জনসাধারণের করের টাকায় তৈরি সরকারি সম্পত্তি নষ্ট হলে তার আর্থিক ক্ষতির বোঝা সাধারণ মানুষের উপর পড়ে। তাই এই ধরনের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

রেল সম্পত্তির ক্ষতির অভিযোগ

বিশেষভাবে রেলের বিভিন্ন সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগ ও ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগের বিষয়েও তদন্তের কথা বলা হয়েছে। প্রয়োজনে রেল পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিছু এলাকায় ট্রেনে আগুন লাগানো, স্টেশন চত্বরে ভাঙচুর এবং অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বার্তা

সরকারের মতে, গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের অধিকার থাকলেও সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস বা জনসাধারণের সম্পদের ক্ষতি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে, অতীতের ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগগুলির তদন্ত এবং প্রয়োজনে ক্ষতিপূরণ আদায়ের উদ্যোগ প্রশাসনের কড়া অবস্থানেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।