Trending NewsAppleNYT GamesCelebrity NewsWordle tipsBig 12 SoccerCelebrity BreakupsKeith UrbanUnited Nations Day

DA Hike Issue: ৪% ডিএ ঘোষণা, ফাইল আটকে কমিশনে—কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

Updated :  Wednesday, April 22, 2026 12:37 AM

ব্যারাকপুরের সভা থেকে ফের ডিএ ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনকে তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ফাইল কমিশন আটকে রেখেছে। এই ইস্যু ঘিরে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে নতুন করে আশা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ডিএ কবে হাতে পাবেন, সেই প্রশ্নেই এখন রাজ্যের বহু কর্মচারী অপেক্ষায় রয়েছেন। নির্বাচনের আবহে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও তীব্র হচ্ছে। সরকারি কর্মীদের সংগঠনগুলিও দ্রুত সমাধানের দাবি জানাতে শুরু করেছে।

ডিএ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বাজেটে আমরা ৪ শতাংশ ডিএ দেওয়ার কথা বলেছিলাম। কিন্তু নির্বাচন কমিশন ফাইল আটকে রেখেছে। আমি বলব, সরকারি কর্মচারীদের স্বার্থে দ্রুত ফাইল ছেড়ে দেওয়া হোক।” তিনি আরও দাবি করেন, “২৫ শতাংশ ডিএ ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে। বাকি ৪ শতাংশ এপ্রিলের বেতনের সঙ্গেই দেওয়ার কথা ছিল।”

পাটকল বন্ধ নিয়ে কেন্দ্রকে দোষারোপ

ব্যারাকপুরের সভা থেকে পাটশিল্প নিয়েও কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র পাটের ব্যাগ কিনছে না বলেই পাটকলগুলি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, “আমরা বারবার বলি পাটের ব্যাগ নাও, কিন্তু নেয় না। ফলে পাটকল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।”

বিজেপিকে আক্রমণ

নির্বাচনী সভা থেকে বিজেপির বিরুদ্ধেও সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, “বাংলা দখল করতে বিজেপি বহু ফ্লাইট, হেলিকপ্টার এবং বহিরাগত কর্মী নিয়ে এসেছে।” এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

ঝালমুড়ি ইস্যুতে কটাক্ষ

প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করে ঝালমুড়ি প্রসঙ্গও তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, “সব কিছু আগে থেকেই সাজানো ছিল, এমনকি ক্যামেরাও প্রস্তুত ছিল।” এই মন্তব্যও রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র করেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

রাজনৈতিক তাৎপর্য

ডিএ ইস্যু দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নির্বাচনের আগে এই ইস্যু ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এই ইস্যু আগামী নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। ডিএ সংক্রান্ত এই টানাপোড়েন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল ও সরকারি কর্মচারীরা।