বিয়েতে গয়নার বাজেট দিন দিন বেড়ে চলেছে। বর্তমানে ২৪ ক্যারেট সোনার ১০ গ্রামের স্পট প্রাইস ৭২,৫৫০ টাকা। যেভাবে দাম বাড়ছে, সেদিন বেশি দূরে নয়, সেদিন ১ ভরি সোনার জন্য ১ লক্ষ টাকা খরচ করতে হবে। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই কারণগুলি কী কী, যার কারণে সোনার দাম আগামী সময়ে রকেটে পরিণত হতে পারে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে মাত্র ৮ মাসে সোনা ৩৫ শতাংশ রিটার্ন দিয়েছে। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে প্রায় ২২ শতাংশ রিটার্ন দিয়েছে। বেশিরভাগ পণ্য বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে আগামী সময়ে সোনার দামে একটি বড় উত্থান দেখা যাবে। কেউ কেউ আবার বলছেন, ধনতেরাসে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১ লক্ষ টাকায় পৌঁছবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ কেনার আরেকটি কারণ হলো ডি-ডলারাইজেশন।

মার্কিন অর্থনীতিতে শ্লথগতি এবং সেখানে প্রচুর ঋণের কারণে ডলার আমদানি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এই পরিস্থিতিতে, সোনাকে ডলারের পরিপূরক করার সর্বোত্তম বিকল্প হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছিল এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলি প্রচণ্ডভাবে সোনা কিনেছিল। শুধু কেন্দ্রীয় ব্যাংকই নয়, খুচরা বিক্রেতা ও প্রতিষ্ঠানগুলোও ব্যাপক হারে স্বর্ণ কিনছে। সোনারও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
কস্টকো আমেরিকার একটি কিংবদন্তি সোনার বার সংস্থা। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, সেপ্টেম্বর থেকে খুব দ্রুত গতিতে সোনার বার বিক্রি হচ্ছে। দোকানে সোনার বার আসা মাত্রই ক্রেতারা সব কিনে নেন। সংস্থাটি প্রতি মাসে ২০০ মিলিয়ন ডলারের সোনার বার বিক্রি করছে এবং আরও ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভারতেও মানুষ প্রচুর গয়না কিনছেন। একদিকে, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্রয় সোনার চাহিদা বৃদ্ধি করছে। অন্যদিকে, খনি শ্রমিকদের সোনার কম তালিকা রয়েছে। এ অবস্থায় দাম বাড়ছে।














David Beckham’s Former Assistant Reacts to Brooklyn Beckham’s Bombshell Statement