Trending NewsAppleNYT GamesCelebrity NewsWordle tipsBig 12 SoccerCelebrity BreakupsKeith UrbanUnited Nations Day

হর্ষ রিছারিয়া কাঁদতে কাঁদতে শেয়ার করলেন ভিডিও, মহাকুম্ভে তার সঙ্গে কী ঘটেছিল জানালেন

Updated :  Saturday, January 18, 2025 5:34 PM

হর্ষ রিছারিয়া সম্প্রতি তার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট এক্স (পূর্বের টুইটার)-এ একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন, যেখানে তাকে কাঁদতে দেখা গেছে। ভিডিওতে তিনি মহাকুম্ভ ছাড়ার সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

কুম্ভে হর্ষ রিছারিয়ার বিতর্ক

কুম্ভ মেলার শুরু থেকেই হর্ষ রিছারিয়া শিরোনামে ছিলেন। তাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় “সবচেয়ে সুন্দরী সাধ্বী” বলেও অভিহিত করা হয়েছে। ৩০ বছর বয়সী হর্ষের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই তার সম্পর্কে জানার আগ্রহ বেড়ে যায়। অনেক সংবাদমাধ্যম তার সাক্ষাৎকার নিয়েছে।

এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তিনি সাধ্বী নন। তিনি ধর্মীয় পথ অনুসরণ করেন এবং সনাতন সংস্কৃতি জানার জন্য কুম্ভে অংশগ্রহণ করেছেন।

কুম্ভ মেলায় হর্ষকে নিরঞ্জনী আখড়ার রথে বসে থাকতে দেখা গিয়েছিল। তবে এই নিয়ে কিছু সাধুর আপত্তি ছিল। তারা অভিযোগ করেন, হর্ষ জাফরান বস্ত্র পরিধান করে রথে বসেছেন, যা তাদের দৃষ্টিতে সঠিক নয়। এই বিতর্ক এতটাই বেড়ে যায় যে হর্ষ রিছারিয়া কাঁদতে কাঁদতে কুম্ভ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

কেন কুম্ভ ছাড়লেন হর্ষ রিছারিয়া?

ভিডিওতে হর্ষ বলেন, “আমাদের সনাতন সংস্কৃতি জানার এবং ধর্মীয় পথে চলার জন্য আমি কুম্ভে এসেছিলাম। কিন্তু এখানে আমাকে সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। একজন মেয়েকে কুম্ভে থাকার যোগ্য মনে করা হয়নি। কুম্ভ, যা জীবনে একবার আসে, সেটি থেকে আমাকে বঞ্চিত করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “কিছু মানুষ আমাকে সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেয়নি। আমার কী ভুল ছিল? এখানে থেকে চব্বিশ ঘণ্টা কটেজে বসে থাকার চেয়ে চলে যাওয়াই ভালো।”

হর্ষ রিছারিয়া: তার পরিচয়

৩০ বছর বয়সী হর্ষ রিছারিয়া উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দা হলেও তার আদি বাড়ি মধ্যপ্রদেশের ভোপালে। তিনি একজন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। তার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল অনুযায়ী, তিনি একজন:
– অ্যাঙ্কর
– মেকআপ আর্টিস্ট
– সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট
– সোশ্যাল মিডিয়া প্রভাবক
– ট্রাভেল ব্লগার

হর্ষ রিছারিয়ার এই ঘটনা কুম্ভ মেলায় নারী-পুরুষের ভূমিকা এবং সংস্কৃতি বোঝার বিষয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। তার ভাইরাল ভিডিও বহু মানুষের মনোযোগ কেড়েছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় একপ্রকার আলোড়ন তুলেছে। এই ঘটনা ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রাসঙ্গিকতা এবং সমসাময়িক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু করতে পারে।