আইপিএলে টানা দু’টি ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাচ্ছিল চেন্নাই সুপার কিংস (CSK)। কিন্তু হঠাৎই বড় ধাক্কা—চোটের কারণে বাকি মরশুমে আর খেলতে পারবেন না জোরে বোলার খলিল আহমেদ। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই খবর জানানো হয়েছে। এই চোটে দলের বোলিং আক্রমণে বড় ফাঁক তৈরি হল, যা আগামী ম্যাচগুলোতে প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে এখন বিকল্প পরিকল্পনা নিয়ে দ্রুত ভাবতে হবে CSK ম্যানেজমেন্টকে।

চোটের কারণেই ছিটকে গেলেন খলিল
কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচেই চোট পান খলিল। জানা গিয়েছে, তাঁর কোয়াড্রিসেপ্স পেশিতে গুরুতর সমস্যা হয়েছে এবং পেশি ছিঁড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, অন্তত ১০-১২ সপ্তাহ তাঁকে মাঠের বাইরে থাকতে হবে। ফলে এবারের আইপিএলে আর তাঁর খেলা হচ্ছে না বলেই নিশ্চিত।
কীভাবে চোট পেলেন?
KKR ম্যাচের ১৭তম ওভারে বল করার সময় আচমকাই অস্বস্তি অনুভব করেন খলিল। শেষ বল করতে গিয়ে দৌড় থামিয়ে দেন তিনি এবং কোনওরকমে হেঁটে মাঠের বাইরে যান। সেই ওভারটি শেষ করেন গুরজপনীত সিংহ। উল্লেখযোগ্য বিষয়, চোট পাওয়ার আগে তিন ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে সুনীল নারাইনের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়েছিলেন খলিল।
মুম্বই দলে নতুন মুখ
এদিকে, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সও দলে পরিবর্তন এনেছে। চোট পাওয়া অথর্ব আঙ্কোলেকরের বদলে দলে নেওয়া হয়েছে ২১ বছরের তরুণ অলরাউন্ডার কৃশ ভগতকে। পঞ্জাবের হয়ে ইতিমধ্যেই সাতটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ এবং ন’টি লিস্ট এ ম্যাচ খেলেছেন কৃশ। লিস্ট এ ক্রিকেটে একটি অর্ধশতরানও রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। তাঁকে ৩০ লক্ষ টাকায় দলে নিয়েছে মুম্বই, যা দলের বেঞ্চ স্ট্রেংথ বাড়াতে সাহায্য করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
CSK-র জন্য বড় ধাক্কা
মরশুমের মাঝপথে খলিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ বোলারকে হারানো CSK-র জন্য বড় ধাক্কা। বিশেষ করে ডেথ ওভারে তাঁর অভিজ্ঞতা দলকে সাহায্য করছিল। এখন তাঁকে ছাড়া বোলিং কম্বিনেশন কীভাবে সাজানো হবে, সেটাই বড় প্রশ্ন। এখন তরুণ বোলারদের উপরই বাড়তি দায়িত্ব পড়তে পারে, যা দলের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলবে। আগামী ম্যাচগুলোতেই বোঝা যাবে এই ধাক্কা কতটা সামাল দিতে পারে ধোনির দল।














