দ্রুতগামী বাইকের দুনিয়ায় ফের একবার ঝড় তুলতে চলেছে TVS। নতুন রূপে হাজির হয়েছে Apache RTR 180, যেখানে শুধু রেসিং DNA নয়, মিলেছে একাধিক অত্যাধুনিক ফিচার, রাইডিং মোড এবং স্মার্ট কনেক্টিভিটি। অটোপ্রেমীদের কাছে এটি হতে চলেছে এক নতুন অভিজ্ঞতা।
ইঞ্জিন ও পারফরম্যান্স
নতুন মডেলে ব্যবহার করা হয়েছে 177.4 cc BS-VI RT-Fi ইঞ্জিন, যা এখন 17.02 PS পাওয়ার জেনারেট করতে সক্ষম। আগের তুলনায় পাওয়ার-টু-ওয়েট রেশিও উন্নত হয়েছে, ফলে বাইকের স্পিড এবং পারফরম্যান্স আরও ঝরঝরে। 0 থেকে 60 কিমি/ঘণ্টা যেতে সময় লাগে মাত্র 4.15 সেকেন্ড এবং টপ স্পিড পৌঁছাতে পারে 125 কিমি/ঘণ্টা।
রাইড মোড ও প্রযুক্তি
এই বাইক প্রথমবারের মতো এনেছে তিনটি রাইড মোড—Urban, Rain এবং Sport। সড়কের অবস্থা অনুযায়ী ABS ও পাওয়ার নিজে থেকেই সামঞ্জস্য হয়ে যায়। আরও রয়েছে SmartXonnect Bluetooth কনেক্টিভিটি, ভয়েস অ্যাসিস্ট, টার্ন-বাই-টার্ন নেভিগেশন, SMS/কল অ্যালার্ট এবং বিশেষ ক্র্যাশ অ্যালার্ট সিস্টেম।
ডিজাইন ও হ্যান্ডলিং
লুকে এসেছে আক্রমণাত্মক পরিবর্তন—নতুন LED হেডল্যাম্প ও টেলল্যাম্প, ফ্লেয়ার্ড ট্যাঙ্ক, এয়ারোডাইনামিক কাওলস এবং Synchro-Stiff চেসিস যা ব্রেকিং ও কর্নারিংকে করে আরও মসৃণ। রাইডিং কমফোর্ট বাড়াতে দেওয়া হয়েছে MIG সাসপেনশন, Glide Through টেকনোলজি এবং Split Clip-On হ্যান্ডেলবার।
ইন্সট্রুমেন্ট কনসোল ও সেফটি
ডিজিটাল কনসোলে রয়েছে 0–60 টাইমার, টপ স্পিড ইন্ডিকেটর এবং হোয়াইট-ব্যাকলিট ডিসপ্লে। নিরাপত্তার জন্য দেওয়া হয়েছে পেটাল ডিস্ক ব্রেকস (270mm ফ্রন্ট ও 200mm রিয়ার), সিঙ্গল-চ্যানেল ABS এবং রিফ্লেক্টিভ গিয়ার লেভার।
মাইলেজ ও ওজন
বাইকের ওজন প্রায় 139–141 কেজি, যা স্টেবিলিটি বাড়ালেও আরামের ঘাটতি হয়নি। মাইলেজ হিসেবে ৫০ কিমি প্রতি লিটার পাওয়া যেতে পারে বলে অনুমান। ফলে ডেইলি রাইডিং বা অফিস কমিউটের জন্যও এটি কার্যকর।
লঞ্চ ও দাম
কোম্পানির তরফে ইতিমধ্যেই নতুন LED DRLs ও গ্রাফিক্স সহ টিজার প্রকাশ করা হয়েছে। 2025 সালের মধ্যেই লঞ্চ হওয়ার সম্ভাবনা। বর্তমান মডেলের এক্স-শোরুম দাম দিল্লিতে প্রায় 1.35 লক্ষ। নতুন ভার্সনে কিছুটা দাম বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।














