বকেয়া ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার মধ্যেই বড় আপডেট সামনে এল। নবান্নে পৌঁছেছে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল, যা ঘিরে আশার আলো দেখছেন রাজ্যের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে বকেয়া ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে তৎপরতা বাড়িয়েছে নবান্ন। ফলে খুব শীঘ্রই সরকারি কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা আসতে পারে বলেই জল্পনা।
নবান্নে পৌঁছল গুরুত্বপূর্ণ ফাইল
সম্প্রতি শিক্ষকদের বকেয়া ডিএ মেটাতে স্কুলশিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা দফতরে চিঠি দেয় অর্থ দফতর। এরপরই শিক্ষাদপ্তর থেকে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত ফাইল নবান্নে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনিক মহলের মতে, এর ফলে ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়া দ্রুত এগোতে পারে।
কীভাবে মেটানো হবে বকেয়া DA?
ঠিক কী পদ্ধতিতে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের ডিএ দেওয়া হবে, তা জানতে ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর’ (SOP) চাওয়া হয়েছিল। সেই অনুযায়ী তালিকা তৈরির কাজ চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কাছ থেকেও শিক্ষক ও কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
কারা পাবেন সুবিধা?
এই প্রক্রিয়ার আওতায় রাজ্যের অধ্যাপক, আধিকারিক, শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীরা উপকৃত হবেন বলে জানা গিয়েছে। বিকাশ ভবন থেকে পৃথকভাবে হিসেব করে ফাইল নবান্নে পাঠানো হয়েছে।
বকেয়া মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত ফাইল নবান্নে
সূত্রের খবর, মঙ্গলবার বিকাশ ভবন থেকে অধ্যাপক, আধিকারিক, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের ফাইল নবান্নে পাঠানো হয়েছে। স্কুলশিক্ষা দপ্তর এবং উচ্চশিক্ষা দপ্তর পৃথকভাবে বকেয়া ডিএ-র হিসেব শুরু করেছিল। বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে।
আগের বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত?
গত ১ এপ্রিল রাজ্যের অর্থ দফতর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করে। সেখানে ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ ও ডিআর সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। এরপর উচ্চশিক্ষা দফতর রাজ্যের সব সরকার পোষিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠায়।
কী সমস্যা হচ্ছে?
বর্তমানে নির্বাচনের আবহে বহু সরকারি আধিকারিক নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত। পাশাপাশি নির্বাচনি আচরণবিধিও জারি রয়েছে। তবে আদালতের নির্দেশ মেনেই প্রক্রিয়া চলায় বড় বাধা হওয়ার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
কবে মিলতে পারে সুখবর?
প্রশাসনিক সূত্রের মতে, খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে বড় ঘোষণা হতে পারে। সবকিছু ঠিকঠাক চললে আগামী দু’এক দিনের মধ্যেই রাজ্য কর্মীদের জন্য ইতিবাচক খবর আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দফতরে হিসেবনিকেশের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণার জন্য আর বেশি দেরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।










