Trending NewsAppleNYT GamesCelebrity NewsWordle tipsBig 12 SoccerCelebrity BreakupsKeith UrbanUnited Nations Day

রাইটার্সে সরকার চালাবে বিজেপি, নবান্নের ভবিষ্যৎ নিয়ে জোর জল্পনা

Updated :  Sunday, May 10, 2026 10:02 AM

দীর্ঘ দেড় দশকের তৃণমূল কংগ্রেস শাসনের অবসানের পর এবার রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামো ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছে, নতুন সরকার আবারও ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং থেকেই প্রশাসনিক কাজ চালাবে। আর সেই ঘোষণার পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে— তাহলে হাওড়ার নবান্ন ভবনের ভবিষ্যৎ কী?

নবান্ন নিয়ে নতুন করে চর্চা

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রধান প্রশাসনিক দফতর হিসেবে পরিচিত নবান্ন আসলে তৃণমূল আমলের প্রকল্প নয়। বামফ্রন্ট সরকারের সময় হাওড়ার শিবপুরে এই বহুতল ভবন তৈরি করা হয়েছিল মূলত বস্ত্রশিল্প ও হাট কমপ্লেক্স গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়ে। মঙ্গল হাট-সহ আশপাশের বিভিন্ন ব্যবসায়িক কেন্দ্রকে এক ছাদের তলায় আনার লক্ষ্য ছিল সেই সময়ের সরকারের।

কিন্তু ভবন তৈরির পরই রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটে। ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে তৃণমূল কংগ্রেস প্রথমে রাইটার্স বিল্ডিং থেকেই প্রশাসনিক কাজ চালালেও, ২০১৩ সালে আচমকাই সরকার স্থানান্তরিত হয় নবান্নে। পরবর্তীকালে ভবনের রং বদলে নীল-সাদা করা হয় এবং সরকারি প্রশাসনের নতুন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে নবান্ন।

রাইটার্সে ফেরার পরিকল্পনা বিজেপির

বিজেপি সূত্রে খবর, নতুন সরকার নবান্নে বসে প্রশাসন চালানোর পথে হাঁটতে চাইছে না। বরং ঐতিহ্যবাহী রাইটার্স বিল্ডিংকেই ফের প্রশাসনিক সদর দফতর হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই নবান্নের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভিন্ন মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

একাংশের মত, বাম আমলে যে বস্ত্রশিল্প কেন্দ্র বা হাট কমপ্লেক্স তৈরির স্বপ্ন দেখা হয়েছিল, তা নতুন করে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। অন্যদিকে, আরেক অংশের দাবি, প্রশাসনিক ব্যবহারের ফলে নবান্ন ঘিরে যে আধুনিক পরিকাঠামো ও পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা ভেঙে ফেলা উচিত হবে না।

কী বলছেন রাজনৈতিক নেতারা?

শিবপুরের বিজেপি বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ জানিয়েছেন, শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকার শিল্প, কর্মসংস্থান, নারী সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবাকে অগ্রাধিকার দেবে। তাঁর দাবি, হাওড়া থেকে শিল্প ও সংস্কৃতির পরিবেশ হারিয়ে গিয়েছিল, সেটিকে ফের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অন্যদিকে সিপিআইএম নেতা সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় বলেন, নবান্ন ভবনকে আবারও বস্ত্রশিল্প ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যবহার করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত। তাঁর মতে, যে উদ্দেশ্যে ভবনটি তৈরি হয়েছিল, সেই লক্ষ্য পূরণ করাই সবচেয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ হবে।