পুনর্নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বড় ঘোষণা রাজ্য সরকারের। আগামী ২১ মে ফলতা বিধানসভা এলাকায় সরকারি অফিস, স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। ভোটগ্রহণ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা মেনে আগামী ২১ মে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ১৪৪ ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের সমস্ত পোলিং স্টেশনে পুনরায় ভোটগ্রহণ হবে। কারণ, এই বিধানসভা কেন্দ্রে গত ২৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণের সময় কারচুপির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ জমা পড়তেই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন।
কোথায় কোথায় ছুটি থাকবে?
নবান্নের তরফ থেকে জারি করা নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর আওতায় ফলতা বিধানসভা এলাকার সমস্ত সরকারি দফতর ও প্রতিষ্ঠান, পৌরসভা, স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থা, বোর্ড, সরকারি উদ্যোগ বা সংঘবদ্ধ সংস্থা এবং স্কুল, কলেজ-সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ২১ মে বন্ধ থাকবে। এর পাশাপাশি শ্রম দফতরের পক্ষ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলতা এলাকার সমস্ত দোকান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও শিল্প কারখানায় কর্মরত কর্মীদের জন্য ওই দিন বেতনভোগী ছুটি হিসেবে গণ্য করতে হবে। অর্থাৎ কোনও কর্মীর বেতন কাটা যাবে না।
বাইরের কর্মস্থলেও মিলবে পেইড হলিডে
যদি কোনও ব্যক্তি ফলতা বিধানসভা এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা এবং নিবন্ধিত ভোটার হন, কিন্তু তাঁর কর্মস্থল অন্যত্র হয়, তাহলেও তিনি ভোট দেওয়ার জন্য পেইড হলিডে পাবেন। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, ছুটি নিলেও তাঁর বেতন কাটা যাবে না। এই নিয়ম ক্যাজুয়াল ও অস্থায়ী কর্মীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
ভোটকর্মীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা
ভোট প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার। আগামী ২০ মে যেসব স্কুল বা সরকারি ভবনকে পোলিং স্টেশন হিসেবে ব্যবহার করা হবে, সেখানে স্থানীয় ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে। এছাড়াও ২২ মে ভোটের কাজ শেষ করে ফিরতে যদি দেরি হয়ে যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ভোটকর্মীরা বিশেষ ছুটির জন্য আবেদন করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।








