চাকরির মেয়াদ শেষে অবসর জীবনে যাতে আর্থিক নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা না করতে হয় তার জন্য সময় থাকতেই বিনিয়োগ (Investment) শুরু করেন অনেকে। নিজের এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতে অর্থ সঞ্চয় করে থাকে মানুষ। যার যেমন সামর্থ্য সেই অনুযায়ী ভবিষ্যত জন্য সঞ্চয় করে রাখেন কমবেশি সকলেই। অনেকে কর্মজীবনে পা রেখেই বিভিন্ন জায়গায় অর্থ বিনিয়োগ করে রাখেন। আবার কেউ কেউ অবসর জীবনে এসেও অর্থ বিনিয়োগ করে থাকেন।
প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন স্কিম রয়েছে যেগুলিতে বিনিয়োগ করা যেমন সুরক্ষিত, তেমনি অর্থ রিটার্নেরও রয়েছে নিশ্চিত গ্যারান্টি। এমনি স্কিম হল সিনিয়র সিটিজেন স্কিম। এই স্কিমে ৮.২ শতাংশ হারের কাছাকাছি সুদ পাওয়া যায়। মোট ৫ বছরের জন্য এই স্কিমে টাকা বিনিয়োগ করা যায়। পাশাপাশি আয়কর ধারা ৮০সি এর অধীনে দেড় লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করলে পাওয়া যায় কর ছাড়।
অটল পেনশন যোজনায় ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সীরা এখন এই যোজনার অধীনে রেজিস্টার করতে পারবেন। ৬০ বছর হয়ে গেলে এই স্কিম থেকে ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত পাওয়া যাবে। তবে ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে কত টাকা বিনিয়োগ করা হবে তার উপরে নির্ভর করবে এই অঙ্ক।
পোস্ট অফিসের মাসিক পেনশন স্কিমে পাঁচ বছরের জন্য টাকা রাখা যাবে। বিনিয়োগ করা অর্থের উপরে ৭.৪ শতাংশ হারে সুদ পাওয়া যায় এই স্কিমে। সর্বনিম্ন ৯ লক্ষ এবং সর্বাধিক ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যাবে এই স্কিমে। মাসে সর্বোচ্চ ৫৫৫০ টাকা পর্যন্ত পেনশন পাওয়া যায় এই স্কিমে। মিউচুয়াল ফান্ডে SWP তে বিনিয়োগ করলে নির্দিষ্ট একটি অঙ্কের মাসিক পেনশন পাওয়া যাবে।














Brooks Nader’s Playful DoorDash Ad Earns Alix Earle’s Praise